বিজ্ঞাপন

দিনাজপুরে পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে পা ভেঙে অপহরণের চেষ্টা

দিনাজপুর শহরের চেহেলগাজী ইউনিয়নের চাঁদগঞ্জ এলাকায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ধান-চালের এক ব্যবসায়ীকে মারধর করে পা ভেঙে অপহরণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, দিনাজপুর কোতয়ালী উপজেলার মহারাজপুর (জুম্মাপাড়া) এলাকার বাসিন্দা ও ধান-চালের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলাম (৩৫) গত ৩ মার্চ রাত ১০টার দিকে চাঁদগঞ্জ বাজারে রফিকুলের মিল চাতালে যান। সেখানে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অভিযুক্ত মো. মোস্তফা হোসেন (৪০), মো. মাসুদ (২৫), মো. হাজের আলী (৫০), মো. হামিদুল ইসলাম (৩৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জন তাকে আটক করে।
ভুক্তভোগীর ভাই মো. সেলিম রানা এজাহারে উল্লেখ করেন, কয়েকদিন আগে মোস্তফা হোসেন একটি অনৈতিক ঘটনার সময় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়লে সাইফুল ইসলাম তাকে উদ্ধার করতে সহযোগিতা করেন এবং কিছু টাকা খরচ করেন। পরে সেই টাকা ফেরত চাইলে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ওই ঘটনার জের ধরে অভিযুক্তরা মোবাইল ফোনে টাকা দেওয়ার কথা বলে সাইফুল ইসলামকে ঘটনাস্থলে ডেকে নেয়। সেখানে তাকে ঘিরে ফেলে ধারালো অস্ত্র, লোহার রড, পাইপ ও বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে এবং দুই পায়ে গুরুতর জখম হয়। একপর্যায়ে তার দুই পায়ের হাঁটুর নিচে আঘাত করে হাড় ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় অভিযুক্তরা তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পরিবারের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পরে তাকে মোটরসাইকেলে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়ার সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপালগঞ্জ বাজার এলাকায় তিনি চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে। এ সময় পুলিশে খবর দেওয়া হলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত সাইফুল ইসলামকে উদ্ধার করে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : দিনাজপুর সচেতন সংঘ-এর দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন