বিজ্ঞাপন

দিনাজপুর আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জমিতে জোরপূর্বক ইরি ধান রোপণ করলো মেম্বার

দিনাজপুর সদরে জমিতে জোরপূর্বক ইরি ধান রোপণের অভিযোগ পাওয়া গেছে ৬নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের মহব্বতপুর মাদ্রাসা মোড় এলাকার আলহাজ¦ তোজাম্মেল হকের ছেলে স্থানীয় ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. নুর আলম (৪৮) এর বিরুদ্ধে।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও কোতয়ালী থানায় পৃথকভাবে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী দিনাজপুর পৌরসভার দক্ষিণ রামনগর এলাকার মৃত এম শামসুর রহমানের ছেলে মো. সাজ্জাদুর রহমান (৪৯)।

অভিযোগে সাজ্জাদুর রহমান উল্লেখ করেছেন, দিনাজপুর সদর উপজেলার মহব্বতপুর মৌজার তফশীলভুক্ত ২১৪ শতক দলা জমির তফশীলঃ খতিয়ান নং-ডিপি-৬০২, দাগ নং-৬৯১/৬৭৭, জেএলনং-১২০। উক্ত তফশীল বর্নিত সম্পত্তি আমি এবং আমার অপর ৪ ভাই ও ৪ বোন পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে পেয়েছি। সকল ভাই-বোনের মৌখিক সম্মতিক্রমে আমি গেল ৫ বছর যাবৎ জমিটি আমার কর্মচারী একই এলাকার মৃত আব্দুল হাই এর ছেলে মো. কাশেম আলী (৬৫) ও মো. কাশেম আলীর ছেলে মো. ফিরোজ হোসেন (২৫) কে দিয়ে চাষাবাদ ও ভোগ-দখল করে আসছি। সেইসাথে উক্ত জমির ফসল হতে আয়কৃত টাকা ভাই-বোনদেরকে নিয়মিত প্রদান করে আসছি।

অভিযোগে তিনি আরও জানান, চলতি ইরি মৌসুমে ধান রোপনের জন্য জমি চাষাবাদের উপযোগী করতে আমার কর্মচারীরা গেল ১০ ফেব্রুয়ারী নিয়মমাফিক উক্ত জমিতে বীজতলা তৈরী করে সার দিয়েছে। পরেরদিন জমিতে পানি দিতে গিয়ে কর্মচারীরা দেখে, নুর আলম মেম্বার তার লোক মারফত আমার নালিশী জমিতে জোরপূর্বক ইরি ধান রোপন করছে।

পরবর্তীতে আমি সংবাদ পেয়ে দিনাজপুরে এসে গেল ১৭ ফেব্রুয়ারী বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে মহব্বতপুর মাদ্রাসা মোড় এলাকায় গিয়ে নুর আলম মেম্বারের সাথে সাক্ষাত করে তার অন্যায় কর্মকান্ডের মৌখিক প্রতিবাদ করি। এতে মেম্বার আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। এরপর তার গালিগালাজের মৌখিক প্রতিবাদ করলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে হুমকি দিয়ে বলে, জোর পূর্বক আপনার জমিতে চাষাবাদ করবো। আপনার কি করার আছে করেন। পারলে আপনি আপনার জমি আদায় করে নিয়েন। মেম্বার নুর আলম আমাকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধামকী দিয়ে বলে, এ বিষয় নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমাকে সুযোগমত একা পেলে খুন করবে।

তাই সাজ্জাদুর রহমান কোতয়ালী থানাসহ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে একটি অভিযোগ দিয়ে নুর আলম মেম্বারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এদিকে সাজ্জাদুর রহমানের বোন সাবিরা সুলতানা বলেন, এই নুর আলম মেম্বার ও তার শালা মোস্তাফিজুর রহমান অবৈধভাবে, সন্ত্রাসী এবং ভুমি দস্যুতার মাধ্যমে গত ৪-৫ বছরে অনেক টাকার মালিক হয়েছে। তাদের আইনের আওতায় এনে দৃস্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করছি। তাদের শাস্তি দেখে আর কেউ কখনো কারো ফসলি জমিতে ধান লাগানোর অপরাধ করার সাহস যেন না পায় বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

ভুক্তভোগী সাজ্জাদুর রহমান বলেন, আমি দীর্ঘ ২০ বছর যাবত ঢাকায় বসবাস করি। আমাদের জমিতে ইরি বোরো ধানের চারা রোপণের সময় আমি উপস্থিত থাকতে পারিনি।

পড়ুন:জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা

দেখুন:চা বিক্রি করে সংসার চলে দিনাজপুরের জনপ্রতিনিধির | 

ইমি/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন