১০/০২/২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
19 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ২:০২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

৭ দিনে এল ৯ হাজার কোটি টাকার বেশি রেমিট্যান্স

চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ৭ দিনে দেশের ৭৯ কোটি ২৯ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৯ হাজার ৬শ’ কোটি টাকার বেশি। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৭৯ কোটি ২৯ লাখ ডলার। যেখানে গত বছরের একই সময়ে দেশে ৬৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

এরমধ্যে চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ৭ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১২ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। পাশাপাশি বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১০ কোটি ১২ লাখ ডলার এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৫৬ কোটি ৫৪ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এছাড়াও ফেব্রুয়ারির প্রথম ৭ দিনে বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১৪ লাখ ডলার।

তবে এই ৭ দিনে ১২টি ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে কোনো রেমিট্যান্স পাঠায়নি প্রবাসীরা। এরমধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংক ছাড়াও একটি বিশেষায়িত ব্যাংক, ৪টি বেসরকারি ও ৬টি বিদেশি ব্যাংক রয়েছে।

এই ব্যাংকগুলো হলো- রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি, বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বেসরকারি খাতের আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, সিটিজেনস ব্যাংক পিএলসি, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক ও পদ্মা ব্যাংক পিএলসি।

এছাড়াও চলতি ফেব্রুয়ারির প্রথম ৭ দিনে বিদেশি খাতের ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক লিমিটেড, এইচএসবিসি, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ও উরি ব্যাংকের মাধ্যমেও দেশে কোনো রেমিট্যান্স পাঠাননি প্রবাসীরা।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে দেশে ৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। তারও আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মার্চে দেশে এসেছিল ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স। যা ছিল দেশের ইতিহাসে একক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রবাহ।

পড়ুন:আগামী সপ্তাহে পদত্যাগ করতে পারেন স্টারমার

দেখুন:লুকিয়ে থাকা ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে চাই: নাহিদ

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন