বিজ্ঞাপন

দুই কিডনি বিকল তিস্তার পাশে চেম্বার অব কমার্সের সহ-সভাপতি রিমন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার কাঠালবাগিচা গ্রামের দুই কিডনি বিকল হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করা সুলতানা রাজিয়া তিস্তার পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সহ-সভাপতি আখতারুল ইসলাম রিমন।

বিজ্ঞাপন

রোববার (১৫ মার্চ) দুপুরে তিনি তিস্তার বাড়িতে গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিস্তার চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং তার দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছরের ও অধিক সময় ধরে গুরুতর কিডনি জটিলতায় ভুগছেন সুলতানা রাজিয়া তিস্তা। ইতোমধ্যে তার দুটি কিডনিই প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বেঁচে থাকার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তার কিডনি প্রতিস্থাপন প্রয়োজন।

চিকিৎসার জন্য প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু এত বিপুল অর্থ জোগাড় করা তিস্তার পরিবারের পক্ষে প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে চিকিৎসা ব্যয়ের চিন্তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তার স্বজনরা।

তিস্তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে গিয়ে আখতারুল ইসলাম রিমন বলেন, “একজন অসহায় মানুষের জীবন বাঁচাতে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। তিস্তার চিকিৎসার জন্য যে অর্থ প্রয়োজন, তা একা একটি পরিবারের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। আমরা সবাই যদি যার যার অবস্থান থেকে সহযোগিতা করি, তাহলে তার জীবন বাঁচানো সম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষদের মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তিস্তার পাশে দাঁড়ানো উচিত।

স্থানীয়রা জানান, তিস্তা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তার পরিবারও আর্থিকভাবে দুর্বল হওয়ায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই তিস্তার জীবন বাঁচাতে সমাজের সবার সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠেছে।

মানবিক এই সংকটে তিস্তার পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান, জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

পড়ুন- অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিই হবেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান

দেখুন- বদলে গেলো দৃশ্যপট, ইরানের পক্ষ নিয়ে তুরস্কের হুংকার!

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন