বিজ্ঞাপন

দুই যুগে ৪ লক্ষাধিক থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে ছিল কোয়ান্টাম

২০০০ সালে শুরুর পর থেকে চলতি বছর মে মাস পর্যন্ত রক্ত ও রক্ত উপাদান সরবরাহের মাধ্যমে ১৭ লক্ষাধিক মুমূর্ষ রোগীর পাশে দাঁড়াতে পেরেছে কোয়ান্টাম ল্যাব। এর মধ্যে এপ্রিল মাস পর্যন্ত দুই যুগে সংগৃহীত মোট রক্তের চার ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ৪ লক্ষাধিক ইউনিট রক্ত বা রক্ত উপাদান সরবরাহ করে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের পাশে থাকতে পেরেছে কোয়ান্টাম।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলস্থ আইডিইবি মিলনায়তনে স্বেচ্ছাসেবী সঙ্ঘ কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত স্বেচ্ছা রক্তদাতা সম্মাননা অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান আলোচকরা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে কমপক্ষে ৩ বার রক্তদান করে লাইফ লং, ১০ বারের দানে সিলভার, ২৫ বারে গোল্ডেন এবং ৫০ বার রক্তদান করে প্লাটিনাম ক্লাবের সদস্য হয়েছেন- এমন তিন শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের উদ্বুদ্ধ করতে প্রধান অতিথি এসময় তাদের হাতে সম্মাননা সনদ, ক্রেস্ট ও মেডেল তুলে দেন।

বিজ্ঞাপন


অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রক্তদানের মতো মহৎ এ সেবার প্রতিদান কোনো মানুষের পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়। এটি একটি সদকায়ে জারিয়া। এর উত্তম প্রতিদান কেবল স্রষ্টাই দিতে পারেন। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের পরিচালক মোটিভেশন এম রেজাউল হাসান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের কো-অর্ডিনেটর ডা. মনিরুজ্জামান। এসময় কোয়ান্টাম মেথডের প্রবর্তক শহীদ আল বোখারী মহাজাতক এর পক্ষ থেকে সকল স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের পক্ষে রক্তদানের অনুভূতি বর্ণনা করেন ২৫ বারের গোল্ডেন রক্তদাতা শফিউর রহমান সাইফ ও লাইফ লং স্বেচ্ছা রক্তদাতা সামিয়া হক তৃষা। এসময় স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের দেয়া রক্তপ্রাপ্তির অনুভূতির কথা তুলে ধরেন নিয়মিত রক্তগ্রহীতা থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত আসিফা আহসান। স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি দেশে রক্ত চাহিদা পুরোপুরি মেটাতে তরুণ স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের মানবিক এ সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান আলোচকরা।

পড়ুন : সেবাদানের ক্ষেত্রে রক্তদাতারা উজ্জ্বল নক্ষত্র

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন