টানা বৃষ্টিতে দেশের অনেক জেলায় আবার বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। দুর্ভোগে আছেন নিম্নাঞ্চলের মানুষ। বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার কারণে ব্যহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। তবে পার্বত্য জেলাগুলোতে পানি নামার খবরও মিলেছে।
দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায়, বরিশালে গত ২৪ ঘন্টায় ১৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। দুই দিনের বৃষ্টিতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন মানুষ। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ।
লক্ষ্মীপুরে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগ বেড়েছে। নিম্নাঞ্চলের বহু রাস্তাঘাট, বাড়ি ঘর এখন পানির নিচে। ভেসে গেছে শতাধিক ঘের ও পুকুরের মাছ। নষ্ট হয়েছে আমনের বীজতলাও।
ঝালকাঠিতে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন সড়কে হাঁটু পানি জমেছে।
ভারী বৃষ্টিপাতে ফেনীর পরশুরাম ও ফুলগাজীর ৩০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। উত্তরের সীমান্তবর্তী এই উপজেলায় ভারতের উজানের পানিতে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনীয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের নয়টি অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে। পানি-বন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ।
ভারী বর্ষণে নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীতে পথঘাট, বাসাবাড়ি, অফিস-আদালত পানির নিচে তলিয়ে আছে। এতে চরম জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। জেলা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ৩৬ ঘণ্টায় জেলায় ২৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে, কমতে শুরু করেছে বান্দরবানের নিম্নাচলের পানি। সাঙ্গু, মাতামহুরীর পানি বিপদসীমার নিচে নেমেছে। খাগড়াছড়িতেও চেঙ্গী ও মাইনি নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। সদরের ডুবে থাকা এলাকা থেকে পানি নেমে গেছে।


