লন্ডনে প্রায় চার মাস চিকিৎসা শেষে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশে ফিরেছেন। বিমানবন্দর থেকে খালেদা জিয়া যাবেন তার গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’য়। এজন্য ওই বাসার সামনেও নেতা-কর্মীদের স্রোত দেখা গেছে। অবশ্য নিরাপত্তা জোরদারে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য।
উড়োজাহাজের লাইভ অবস্থান প্রদর্শনকারী প্লেনফাইন্ডারে দেখা যায়, সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটের দিকে খালেদা জিয়াকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি বিমানবন্দরে অবতরন করে। খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেশে ফিরেছেন তার পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমানও। ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে ফিরলেন তিনি।
খালেদা জিয়া এবং তার দুই পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান ও সৈয়দা শর্মিলা রহমানকে ঢাকায় বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির নেতারা।
গতকাল লন্ডন থেকে কাতারের আমিরের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রওয়না দেন খালেদা জিয়া।

দেশে ফিরেছেন খালেদা জিয়া
লন্ডন থেকে খালেদা জিয়ার সঙ্গে এসেছেন তার দুই পুত্রবধূ জোবাইদা রহমান ও সৈয়দা শর্মিলা রহমান। এছাড়া সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন, তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী, গৃহকর্মী ফাতেমা বেগম ও লন্ডনে সফরে থাকা বিএনপি নেতা তাবিথ আউয়াল। হিথরো বিমানবন্দরে খালেদা জিয়াকে বিদায় জানান তার জ্যেষ্ঠ সন্তান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

গত ৮ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লন্ডন ক্লিনিকে টানা ১৭ দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। পরে ২৫ জানুয়ারির থেকে তিনি (খালেদা জিয়া) তার ছেলে তারেক রহমানের বাসায় লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক প্যাট্রিক কেনেডি ও অধ্যাপক জেনিফার ক্রসের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
দেখুন: দেশের পথে খালেদা জিয়া, স্বাগত জানাবেন নেতা-কর্মীরা |
// সাখাওয়াত


