গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে কাতারের দোহায় হামাস ও ইসরায়েলি প্রতিনিধিদলের মধ্যে প্রথম দফার বৈঠকটি কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। সোমবার (৭ জুলাই) ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দুটি ফিলিস্তিনি সূত্র জানিয়েছে, কাতারে হামাস-ইসরায়েলের পরোক্ষ আলোচনায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ইসরায়েলি প্রতিনিধিদলের কাছে যথেষ্ট ক্ষমতা বা ম্যান্ডেট ছিল না।
রয়টার্স বরছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প জানুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়ার পর চলতি বছরে তৃতীয়বারের মতো সোমবার ওয়াশিংটন সফরে যাচ্ছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামনি নেতানিয়াহু। তার একদিন আগে রোববার দোহায় এই যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু হয়।
সূত্রগুলো রয়টার্সকে জানিয়েছে, ‘দোহায় পরোক্ষ আলোচনার প্রথম অধিবেশনের পর এটি স্পষ্ট যে, চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ইসরায়েলি প্রতিনিধি দলকে যথেষ্ট পরিমাণে ক্ষমতা দেয়া হয়নি।’
আলোচনায় যোগ দেয়ার আগে নেতনিয়াহু জানিয়েছিলেন, হামাসের সবশেষ দাবিগুলো ইসরায়েলের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। তা সত্ত্বেও তিনি দোহায় প্রতিনিধিদল পাঠিয়েছেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি সপ্তাহে গাজায় একটি যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি চুক্তির ভালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। হোয়াইট হাউসে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ মন্তব্য করলেন।
গাজার হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলায় গাজা উপত্যকায় ৫৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া এই সংঘাতে গাজায় তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। আর গাজার প্রায় সব মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন।
পড়ুন: গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত আরও ৮১ ফিলিস্তিনি
এস/


