নীলফামারীর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার অস্থায়ী স্টোর ডিপার্টমেন্টে অফিস সহকারী শিরিন আক্তারকে(৩১) একই ডিপার্টমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আনসার আলী বিয়ের প্রলোভন দেখে একাধিকবার জোড় করে ধর্ষণ করে।
পরবর্তীতে আনসার আলী ওই ভুক্তভোগীর সাথে যোগাযোগ বিছিন্ন করে। ভুক্তভোগী একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।
তিন মাস পার হলেও কোন আসামি ধরতে না পারায় মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুরে দিকে নীলফামারী প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগী ও ভুক্তভোগী বলেন রেল উপদেষ্টা একজন ধর্ষণের আসামীকে শুধুমাত্র সামায়িক বরখাস্ত করেছে। আমি চাই তাকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
বিজ্ঞাপন
পড়ুন: নীলফামারীতে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় সাত জনের কাছ থেকে জরিমানা আদায়
এস


