২৬/০২/২০২৬, ২০:১৩ অপরাহ্ণ
26 C
Dhaka
২৬/০২/২০২৬, ২০:১৩ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নোয়খালীতে ৬ বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা

নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে কাঠবাদামের প্রলোভন দেখিয়ে ৬ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার (৮ মে) ভুক্তভোগী শিশুর মা তাসলিমা আক্তার বাদী হয়ে সুধারাম মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এরআগে, বুধবার এ ঘটনায় নাগরিক টিভির অনলাইন ভার্ষণে সংবাদ প্রকাশের পর বুধবার রাতেই অভিযুক্ত কামাল উদ্দিনকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত সোমবার (৪ মে) দুপুরে উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের চর শুল্লুকিয়া গ্রামের কামাল উদ্দিনের বাড়ির মো. কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণকান্ডের এই অভিযোগ ওঠে।

ভুক্তভোগী শিশুর মা অভিযোগ করে বলেন, ‘পাশের বাড়ির কামাল উদ্দিনের বাড়িতে মেয়েকে একটি প্রয়োজনে তাঁর ছেলের বউয়ের কাছে পাঠাই। এসময় কামাল উদ্দিন আমার ৬ বছর বয়সী ছোট্ট মেয়েকে কাঠবাদাম কুড়িয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের বাড়ির পাশে ডেকে নিয়ে যায়। ডেকে নিয়ে পুকুর পাড়ের একটি গাছের নিচে তাঁর হাত-পা ও মুখ ছেপে ধরে তাঁর পরনের পায়জামা খুলে তাকে নির্যাতন (ধর্ষণ) করে। পরে মুখ বন্ধ অবস্থায় মেয়ের কাঁতরানি শুনে পাশের পথচারী এক নারী এগিয়ে আসে এবং ঘটনাটি দেখে ফেলে। পরে ওই পথচারী নারী বিষয়টি কামাল উদ্দিন এবং আমাদের পরিবারকে জানায় এবং ঘটনাটি আশে-পাশে পুরোপুরি জানাজানি হলে আমরা সমাজের গণ্যমান্য কয়েকজন ব্যক্তিবর্গকে জানাই। স্থানীয়রা বিষয়টি সমাধান করবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেন। কিন্তু ঘটনার চারদিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি বলে আজ থানায় মামলা দায়ের করেছি।’

ভুক্তভোগী শিশুর মা আরো জানায়, যদি ওই মহিলা ঘটনাটি না দেখে ফেলতো তাহলে আমার মেয়েকে মেরেই ফেলতো। ছোট্ট এই শিশু নির্যাতনের (ধর্ষণের) ঘটনার বিচার দাবি করেন পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী।

মামলার বিষয়টি নিশিত করে সুধারাম মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার শ্রীবাস চন্দ্র দাস জানান, অভিযান চালিয়ে গতকাল রাত ১১ টার দিকে অভিযুক্ত কামাল উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তাকে বিচারিক আদালতে পাঠানো হয়।

এনএ/

দেখুন: টাকা দিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টা করেন আওয়ামী লীগ নেতা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন