বিজ্ঞাপন

ধানমন্ডি ৩২-এ সেই ভাঙা বাড়ির সামনে ছবি তুলে যা বললেন ন্যান্সি

গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা শহরের ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতার হাতে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ঐতিহাসিক এ বাড়িটি বর্তমানে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। গত এক মাসের মধ্যে বাড়িটির দৃশ্য পাল্টে যাওয়ার পর, সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি সেখানে গিয়ে একটি ছবি তুলেছেন। বুধবার (১৯ মার্চ) দিবাগত রাতে তিনি সেই ছবি নিজের ফেসবুক পেইজে প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন

ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, “প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলাদেশ আমার মরণ বাংলাদেশ। পরাধীনতার শেকলমুক্ত একটি নতুন বাংলাদেশের সূচনা।” এই পোস্টের মাধ্যমে তিনি তার অনুভূতি প্রকাশ করেন, যা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক অবস্থা এবং সামাজিক পরিস্থিতির প্রতি এক ধরণের প্রতিবাদ এবং তার ব্যক্তিগত ভাবনা ফুটে ওঠে।

এরপরেই ন্যান্সি আরেকটি পোস্টে লেখেন, “আমি এখন আছি সুখে, আগুন জ্বলুক খুনীর দোসরদের বুকে। ঘুমাতে গেলাম।” এই মন্তব্যে তিনি তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। তার কথায়, বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ত্রাসের পরিবেশে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

ন্যান্সি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এবারের ঈদ তার জন্য অন্যরকম আনন্দ নিয়ে এসেছে। তিনি জানান, শেখ হাসিনার শাসনমুক্ত বাংলাদেশে তিনি নতুনভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন এবং কোন প্রকার মামলার হয়রানি ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে চলাফেরা করতে পারছেন। এই কারণে এবারের ঈদ তার জন্য বিশেষ আনন্দের।

এটা নতুন নয় যে, ন্যান্সি আওয়ামী লীগ ও সরকারের প্রতি তার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তার এই ক্ষোভ অনেকদিন ধরেই চলে আসছে এবং এইবারও ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে তিনি তার ভাবনা প্রকাশ করেছেন।

বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে ভাঙচুরের পর সেখানে ছবি তোলা, একদিকে তার রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করেছে, অন্যদিকে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে তার কঠোর দৃষ্টিভঙ্গি ফুটিয়ে তুলেছে।

এতে প্রমাণিত হয় যে, তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা নিয়ে নিরব থাকেন না, বরং যে কোনো ঘটনা বা পরিস্থিতির বিরুদ্ধে তার কণ্ঠ উঠিয়ে থাকেন। তার এসব মন্তব্য এবং কর্মকাণ্ড দেশের রাজনৈতিক পরিবেশের প্রতি একটি সুস্পষ্ট প্রতিবাদ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

পড়ুন: ধানমন্ডি ৩২: কেউ সেলফি তুলছেন, কেউ খুলে নিচ্ছেন ইট-রড

দেখুন: ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে আগুন |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন