ঢাকার ধামরাইয়ে মারধর করে জমি দখল, দোকান ভাঙচুর, তেল ও মালামাল লুট, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. ছুলাইমান (৬৪) ধামরাই থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
ভুক্তভোগী মো. ছুলাইমান (৬৪) উপজেলার আমতা ইউনিয়নের নান্দেশ্বরী এলাকার বাসিন্দা। আসামিরা হলেন— একই এলাকার মো. ফারুক, তার ছেলে মো. সোহাগ (২৫), মো. আল আমিন (২৮), মো. হারুন (৪০), মোহর আলী, জহুরা (৫২), শিউলি (৪২)সহ অজ্ঞাত আরও ৮-১০ জন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছুলাইমান তার নিজস্ব ক্রয়কৃত জমিতে দীর্ঘদিন ধরে একটি দোকান পরিচালনা করে তেল, মবিলসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে আসছিলেন। আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি দখলের চেষ্টা করে আসছিল। গত মাসের ১৫ তারিখ দুপুরে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে অতর্কিত হামলা চালায়। তারা দোকানের সবকিছু ভাঙচুর করে এবং একটি ড্রাম তেল ফেলে দেয়। এ সময় ছুলাইমানের ছেলে আল আমিন বাধা দিলে তাকে এলোপাতাড়িভাবে মারধর করা হয়। তার চিৎকারে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করে রক্তাক্ত জখম করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসামিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
এরপর আসামিরা দোকানের সামনে ট্রাক দিয়ে বালু ফেলে প্রবেশপথ বন্ধ করে দেয়। একই রাতে দোকানের পেছনের টিন কেটে ভিতরে ঢুকে তেল, মবিলসহ সব মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী ছুলাইমান বলেন, “আমাদের মারধর করে দোকানের জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়েছে। আমরা আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি থাকার সুযোগে দোকানের সামনে বালু ফেলে দেওয়া হয়, যাতে কেউ ঢুকতে না পারে। পরে রাতে দোকানের পেছনের টিন কেটে সব মালামাল চুরি করে নিয়ে যায়। এখন আমার দোকানে কিছুই নেই। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
আসামিদের দুইজন গ্রেপ্তার থাকায় তাদের পরিবারের অন্য সদস্যরা এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান জানান, “এ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা হয়েছে। একটি মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
পড়ুন:পদ্মায় নিখোঁজের ৪৩ ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রের ম-র-দে-হ উদ্ধার |
দেখুন:বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১
ইমি/


