২৭/০২/২০২৬, ১৩:২০ অপরাহ্ণ
30.4 C
Dhaka
২৭/০২/২০২৬, ১৩:২০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নওগাঁয় একদিনে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার

নওগাঁর রানীনগর ও সাপাহার উপজেলার পৃথক স্থান থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহষ্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে রানীনগর উপজেলার পারইল গ্রাম থেকে যুবকের ও সাপাহার উপজেলার পিছলডাঙ্গা (মলপাড়া) গ্রামের খালের পানি থেকে ভাসমান বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- রানীনগর উপজেলার পারইল গ্রামের মোখলেছার রহমানের ছেলে মেহেদী (২৯) ও সাপাহার উপজেলার সদর ইউনিয়নের পিছল ডাঙ্গা গ্রামের মৃত আজির উদ্দিনের ছেলে নুরুল ইসলাম (৭৩)।

নিহত মেহেদীর দুলাভাই কামাল হোসেন বলেন, কিছুদিন থেকে মেহেদী ও তার স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়ে মনোমালিন্য চলছিল। গতকাল মেহেদীর স্ত্রী ঝগড়া লেগে বাপের বাড়িতে চলে গেলে রাতে খাবার খেয়ে পরিবারের অন্যদের সাথে মেহেদীও তার রুমে ঘুমিয়ে যায়। আজ সকালে বাড়ির পাশের একটি পুকুর পাড়ের আম গাছে গলায় রশি দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পায় এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

রানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) বাবলু বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে নওগাঁর সাপাহারে বাড়ি থেকে নিখোঁজের ২৪ ঘন্টা পর নুরল ইসলাম নামে (৭৩) বছরের এক বৃদ্ধের হাত পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতের পারিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার ফজরের নামাজ পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান নুরল ইসলাম। বেলা বাড়লেও বাড়িতে না ফিরলে পরিবারের সদস্যরা বুধবার সারাদিন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয়রা গ্রামের দক্ষিন দিকে প্রায় ১কিলোমিটার দুর দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের পানিতে বৃদ্ধের ভাসমান মরদেহ দেখতে পায়। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আজিজ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে কেউ বৃদ্ধকে মেরে হাত-পা বেঁধে পানিতে ভাসিয়ে দিয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য মরদেহটি নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যের সঠিক কারণ জানা যাবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নওগাঁয় বিশ্ব ডাক দিবস পালিত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন