শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার ভোগাই নদী থেকে দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া সিএনজি উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টা পর অবশেষে চালকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ১৪ জুলাই সোমবার বিকেলে পৌরশহরের আমবাগান মহল্লার ভোগাই নদীর অংশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ওই সিএনজি চালকের নাম মো. হুমায়ুন মিয়া। সে পাশ্ববর্তী নকলা উপজেলার দুকুরিয়া গড়েরগাঁও গ্রামের ফুল মাহমুদের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ১১টার দিকে ভোগাই নদীর আড়াই আনী বাজারের চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাটে একটি সিএনজি ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। সিএনজির কোন মালিক বা চালককের সন্ধান না পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে দুপুরে সিএনজিটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। সিএনজিটির রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার, ময়মনসিংহ থ-১১-৩৮৯৯। এ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে থানা পুলিশ। এক পর্যায়ে বিকেলে পৌরশহরের আমবাগান মহল্লার ভোগাই নদী থেকে ওই সিএনজি চালক হুমায়ুনের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সিএনজি চালকের স্ত্রী ঝর্ণা খাতুন তার স্বামীর মরদেহ সনাক্ত করে বলেন, আমার স্বামী গত শনিবার (১২ জুলাই) রাত ১০ টার দিকে বাড়ি থেকে সিএনজি নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর রবিবার বিকেলে একবার আমার সাথে কথা হয়েছে। তখন আমার স্বামী জানিয়েছে সে নকলা উপজেলায় আছে। এরপর থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাই। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভোগাই নদীতে সিএনজি পরে থাকার খবর পেয়ে এখানে এসেছি। এখানে এসে আমার স্বামীর মরদেহ ও সিএনজির সন্ধান পাই।
এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন, নিহত হুমায়ুন ও তার সিএনজি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার তদন্তকাজ চলমান রয়েছে। একইসাথে পরবর্তী আইনী পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পড়ুন: নিখোঁজের ৫ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
দেখুন: জরুরি ছাড়া বিমানবন্দর সড়ক ব্যবহার না করার অনুরোধ
ইম/


