নরসিংদী শহরের ব্রাহ্মন্দী এলাকায় একটি কমিউনিটি সেন্টারে জামায়াতের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এতে অংশ নেন নরসিংদী-১ (সদর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নরসিংদী জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাদের অংশগ্রহণ বিরোধী রাজনৈতিক অঙ্গনে সমন্বয়ের বার্তা দিয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
নরসিংদী জেলা জামায়াতের সভাপতি মুছলেহ হুদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাওলানা আমজাদ হোসাইনের সঞ্চালনায় আয়োজিত ইফতার মাহফিলে স্থানীয় রাজনীতির দুই ধারার নেতাদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। এতে জেলা বিএনপির সহসভাপতি হারুনুর রশীদ, ভিপি খবিরুল ইসলামসহ বিএনপির অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ২৪ এর গণঅথ্ভুথানে শহীদ পরিবারের সদস্য, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি জামায়াতের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতা এবং স্থানীয় সংবাদকর্মীরা এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে জামায়াতের জেলা শাখান সেক্রেটারি বলেন, “বিএনপি যেমন বলছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’, আমরাও বলছি ‘চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’। দেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে নীতিনিষ্ঠ রাজনীতির বিকল্প নেই।”
সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমন্বয় প্রয়োজন। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজন শুধু ধর্মীয় বা সামাজিক কর্মসূচি নয়; বরং স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক সমঝোতা ও সমন্বয়ের একটি ইঙ্গিতও বহন করে। বিশেষ করে জাতীয় রাজনীতির পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাদের একই মঞ্চে উপস্থিতি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন বার্তা দিতে পারে। নরসিংদীতে সম্প্রীতির রাজনীতি ও জাতীয় উন্নয়নের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হওয়া সময়ের দাবি বলেও তারা মনে করেন।
ইফতারের আগে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
পড়ুন : নরসিংদীতে আলোচিত ধর্ষণের ঘটনায় নূরাসহ ৭ আসামির ৮ দিনের রিমান্ড


