33.5 C
Dhaka
০৫/০৩/২০২৬, ১৪:৫৭ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নাগরিক অনলাইনে সংবাদ প্রকাশের পর দুপুরের খাবার পেলেন রেলওয়ে কারখানার প্রশিক্ষনার্থীরা

সংবাদ প্রকাশের পর সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার শ্রমিকরা প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার প্রায় এক মাসের পর বরাদ্দকৃত দুপুরের খাবার পেলেন। শনিবার দুপুরে সোপ ভিত্তিক বিরিয়ানির একটি করে প্যাকেট দেয়া হয়। ফলে বিষয়টা নিয়ে হাস্যরস ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে নাগরিক টেলিভিশনের অনলাইন নিউজ পোর্টালে এ নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। এতে উল্লেখ করা হয় কারখানার বিভাগীয় তত্ত্ববধায়ক শাহ সুফি নুর মোহাম্মদ প্রশিক্ষাণার্থীদের দুপুরের খাবারের জন্য বরাদ্দ ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছরই শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সচতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ‘অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ’ করানো হয়। একদিনের এই প্রশিক্ষণ উপকারখানা ভিত্তিক পর্যায়ক্রমে করা হয়। এতে কারখানার ২৮টি উপকারখানার মোট ৬৫০ জন স্থায়ী শ্রমিক অংশ নেন। অংশ নেওয়া শ্রমিকদের সকাল ও বিকেলের নাশতা এবং দুপুরের খাবারসহ সম্মানী দেওয়া হয়। সম্মানী ৫০০ টাকা, দুপুরের খাবার ৫০০ টাকা এবং নাশতার জন্য ৮০ টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু সম্মানী ও নাশতা দেওয়া হলেও দুপুরের খাবার দেওয়া হয়নি শ্রমিকদের।

শ্রমিকরা অভিযোগ করেন ওই টাকা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক শাহ সুফি নুর মোহাম্মদ আত্মসাৎ হয়েছে। পরে তারা এনিয়ে অসোন্তষ প্রকাশ করেন এবং একদিনে কর্মবিরতি পালনের সিদ্ধান্ত নেন। পরে ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা দিয়ে বড় আয়োজন করে কারখানার সবাইকে নিয়ে খাওয়া হবে বলে ডিএস শ্রমিকদের জানান। তাতেও তারা অস্মতি জানায়। পরে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে প্রশিক্ষণার্থীদের একটি করে বিরিয়ানীর প্যাকেট দেয়া হয়।

কারখানার বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক (ডিএস) শাহ সুফি নুর মোহাম্মদ বলেন, ট্রেড ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে ওই টাকা দিয়ে সবাই মিলে একদিন দুপুরে খাওয়ার কথা ছিল। যেহেতু এনিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে, তাই আগের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে শুধু যারা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তাদের একবেলার খাবার দেয়া হলো।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের খাবারের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন