বিজ্ঞাপন

নাটোরে মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায়, বাবার হাত ভেঙে দিয়েছে বখাটেরা

মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় বাবাকে তুলে নিয়ে মারপিট করে হাত ভেঙে দিয়েছে একদল বখাটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নাটোরের সিংড়া উপজেলায় গতকাল রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে আজ সোমবার বিকেলে সিংড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। ভুক্তভোগী ফটিক আলীর (৫৫) বাড়ি উপজেলার ইটালী ইউনিয়নে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফটিক আলীর এক ছেলে ও এক মেয়ে। প্রায় দুই মাস আগে তাঁর মেয়ের (২৩) স্বামী মারা যান। এর পর থেকে তিনি বাবার বাড়িতে বসবাস করছেন। স্থানীয় আয়ুব আলীর ছেলে ইমান আলী (২০) তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। মেয়েটি তাতে রাজি হননি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ইমান আলী ও তাঁর কয়েকজন বন্ধু রাস্তাঘাটে প্রায়ই ওই মেয়েকে উত্ত্যক্ত করতেন। জোর করে তুলে নিয়ে তাঁকে বিয়ে করার হুমকি দিতেন। ফটিক আলী বিষয়টি ইমান আলীর পরিবারকে জানান। এতে ইমান আলী আরও ক্ষুব্ধ হন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাতে ফটিক আলী বাড়ির পাশের পুকুর পাড়ে যান। তখন ইমান এবং তাঁর বন্ধু রানা ও হাসান তাঁর মুখ চেপে ধরে টেনেহিঁচড়ে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে বেধড়ক মারপিট করে একটি হাত ভেঙে ফেলা হয়। এ সময় একজন মোটরসাইকেল আরোহী সেখানে এলে ওই বখাটেরা পালিয়ে যায়। পরে ফটিক আলীকে উদ্ধার করে রাতেই সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আজ বিকেলে তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ওই ঘটনার পর অভিযুক্ত ফটিক আলী ও তাঁর বন্ধুরা গা ঢাকা দেওয়ায় তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সিংড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সাদিয়া সুলতানা জানান, ফটিক আলীর শরীরে বেশ কিছু আঘাত রয়েছে। এক্সরে রিপোর্টে দেখা যায় তাঁর ডান হাত ভেঙে গেছে। তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আ ব ম আবদুর নূর জানান, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরবর্তী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নৌবাহিনীর অভিযানে টেকনাফে ১১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার ইয়াবা জব্দ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন