১৫/০১/২০২৬, ৪:০৮ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ৪:০৮ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নাটোরে ৩০ কেজির গাঁজা হয়ে গেল ৭ কেজি, তিন পুলিশ ক্লোজ

নাটোরের বড়াইগ্রামে মাদক মামলায় জব্দ করা গাঁজার পরিমাণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রাজ্জাক ও দুই কনস্টেবল আব্দুর রহমান ও শাহ আলমকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে এবং তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বড়াইগ্রাম সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে। তিন সদস্যের এই তদন্ত দলকে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে বড়াইগ্রামের ছাতিয়ানগাছা মোল্লাপাড়া মোড়ে স্থানীয়রা একটি কাভার্ডভ্যান আটক করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তারা দেখেন দুজন ব্যক্তি গাড়িটি থেকে একটি বড় পলিব্যাগ নামাচ্ছিল। সন্দেহ হলে এলাকাবাসী তাদের ধাওয়া দিলে তারা পালিয়ে যায় এবং গাড়িটি ফেলে যায়। পরে স্থানীয়রা ভ্যানসহ চালককে আটক করে পুলিশে খবর দেন। কিছুক্ষণ পর এসআই আব্দুর রাজ্জাক সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, তারা নিজেরা ১৫টি পলিব্যাগে মোড়ানো গাঁজা গুনে পুলিশকে হস্তান্তর করেন। প্রতিটি ব্যাগে আনুমানিক ২ কেজি করে মোট প্রায় ৩০ কেজি গাঁজা ছিল বলে দাবি করেন তারা।

তারা আরও জানান, গাঁজার সঠিক পরিমাণ নিশ্চিত করতে তারা ওজন করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। অথচ থানায় করা মামলায় মাত্র ৭ কেজি গাঁজা জব্দ দেখানো হয়েছে, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয় এবং বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোভন চন্দ্র হোড় জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দেবেন।

বিষয়টি নজরে আসার পর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের পুলিশ লাইনে ক্লোজ করে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন জানান, তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নাটোরে বাল্যবিয়ে দেওয়ায় কাজীর ৬ মাসের জেল

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন