নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাক ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচ নারীসহ নিহত বেড়ে আটজনে দাড়িয়েছ বলে জানিয়েছে, পুলিশ।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড়াইগ্রামের শ্রীরামপুরের তরমুজ প্যাম্প এলাকায় এই দূর্ঘটনা ঘটে বলে জানান, নাটোরের পুলিশ সুপার, মোহম্মদ আমজাদ হোসাইন।
পাঁচজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে পৌছানোর পরেই একজন মারা যান এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলে পৌনে তিনটার দিকে আরও দুজন মারা গেছেন বলে জানান তিনি।
নিহতেরা হলেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের ধর্মদহ এলাকার প্রয়াত জিল্লুর রহমানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৬৫) ও তার স্ত্রী শেলী বেগম (৬০), দৌলতপুরের প্রাগপুর এলাকার মো. রফেজ চৌধুরীর স্ত্রী মোছা. ইতি খাতুন (৪০), ধর্মদহ এলাকার শহিদুল ইসলামের স্ত্রী মোছা. আন্না (৬০), মোহাম্মদ মোল্লার স্ত্রী মোছা. আঞ্জুমান (৭৫), মেহেরপুরের গাংনির মোছা. সীমা খাতুন (৩২), কুষ্টিয়া দৌলতপুরের মো. শাহাবুদ্দিন (৩২)। এবং গাড়ির ড্রাইভার মেহেরপুরের গাংনি এলাকার মো. রুবেল হোসেন।
মাইক্রোবাসে থাকা নিহত যাত্রীরা পরস্পরের আত্মীয় বলে জানিয়েছে, পুলিশ।
পরিবার ও স্থানীয়দের বরাত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আমজাদ হোসাইন বলেন, কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর থেকে সিরাজগঞ্জে অসুস্থ্য আত্মীয়কে দেখতে মাইক্রোবাসে সকালে বের হন নিহতরা। মাইক্রোবাসটি নাটোরের বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের তরমুজ পাম্প এলাকায় পৌছালে হঠাৎ চাকা ফেটে গেলে রাজশাহীগামী একটি ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। মাইক্রোবাসের সামনের অংশ ট্রাকের সামনের দিকে কিছুটা ঢুকে দুমড়ে মুচড়ে যা। এসময় ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন। এরপর স্থানীয়দের সহযোগী আহত তিনজনে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল পাঠালে পৌছানোর পরে কতৃব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলে পৌনে তিনটার দিকে মেহেরপুরের গাংনির মোছা. সীমা খাতুন ও কুষ্টিয়া দৌলতপুরের মো. শাহাবুদ্দিন মারা গেছেন।
মাইক্রোবাসে ড্রাইভারসহ মোট আটজন ছিলেন, সবাই মারা গেছেন । ড্রাইভার ছাড়া অন্যান্য নিহত যাত্রীরা সবাই পরস্পরের আত্মীয় বলে জানান, জেলার শীর্ষ ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
পড়ুন: সুবর্ণচরে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন
দেখুন: পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল ফেরানোর চিন্তা করছে সরকার |
ইম/


