১০/০২/২০২৬, ৮:০৩ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ৮:০৩ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নান্দাইলে একটি কবরে গভীর রাতে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ড

ময়মনসিংহের নান্দাইলে একটি কবরে গভীর রাতে রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে উপজেলার পশ্চিম রসুলপুর গ্রামের একটি কবরে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় এলাকাবাসী স্তম্ভিত ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর ৪টার দিকে স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন আরশেদ আলী ফজরের আযান দেওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এসময় তিনি দেখতে পান একটি কবরের চারপাশে স্থাপিত প্লাস্টিকের বেড়ায় দাউ দাউ করে আ’গু’ন জ্ব’লছে। দৃশ্যটি দেখে তিনি শিউরে ওঠেন এবং সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করে আশপাশের লোকজনকে ডাকেন। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় দ্রুত আ’গুন নেভাতে সক্ষম হন। আ’গুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে মুয়াজ্জিন আরশেদ আলী সামান্য আ’হত হয়েছেন।

স্থানীয় মুজিবুর রহমান জানান, যে ক্বারী সিরাজুল ইসলাম বকুল সাহেবের ক’বরে এই ঘটনা ঘটেছে, তিনি এক বছরেরও বেশি সময় আগে মা’রা গেছেন। তিনি অত্যন্ত সৎ ও ভালো মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। তার ক’বরে এভাবে আ’গুন লাগানো অত্যন্ত নি’ন্দনীয় ও নেক্কারজনক কাজ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ ঘটনায় মরহুমের ছোট ছেলে জাকারিয়া বলেন, “রাতে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পাশের বাড়ির দাদার চিৎকারে ঘুম ভেঙে ঘর থেকে বের হয়ে দেখি দাদা আমার বাবার কবরের আ’গুন নেভাচ্ছেন। কে বা কারা কেন এমন করলো, কিছুই জানি না। আমরা হতবাক।”

এলাকাবাসী এই ঘটনায় গভীর আত’ঙ্কিত ও ক্ষু’ব্ধ। তারা অবিলম্বে ঘটনার সঠিক তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রশ্ন, কেন একটি ক’বরে এমন জঘন্য কাজ করা হলো এবং এর পেছনে কী উদ্দেশ্য থাকতে পারে?

এ বিষয়ে জানতে নান্দাইল মডেল থানার ওসি জালাল উদ্দিন মাহমুদকে ফোন করা হলে তিনি জানান, ঘটনাটি আমরা গুরুত্ব সহকারে দেখছি এবং শীঘ্রই খতিয়ে দেখব। দোষীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

এই ঘটনার পর থেকে পশ্চিম রসুলপুর গ্রামের মানুষের মধ্যে এক ধরনের চাপা ভয় ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারা দ্রুত এই রহস্যের উন্মোচন দেখতে চান।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সাবেক এমপি তুহিনসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন