নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চের ধাক্কায় বাল্কহেড ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজ দুই শ্রমিক জহিরুল ইসলাম ও হাসানের লাশ উদ্ধার করেছে ডুবুরি দল।
দুপুর থেকে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ কতৃপক্ষ। বিকেলে তাদের সঙ্গে উদ্ধার অভিযানে নামে স্থানীয় বেসরকারি ডবুরি দল। দূ্র্ঘটনার দীর্ঘ ১০ ঘন্টা পর বিকেলে ডুবে যাওয়া বাল্কহেডের ইঞ্জিন রুমের তলা থেকে একে একে উদ্ধার করেন নিখোঁজ জহিরুল ও হাসানের লাশ। পরে পাগলা নৌপুলিশের কাছে লাশ দুটি হস্তান্তর করা হয়।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, দূর্ঘটনার জন্য দায়ী লঞ্চটি আটক করে রাজধানির সদরঘাটে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এর আগে আজ সকালে এম বি কাশফা স্নেহা নামে বালুবাহি একটি বাল্কহেড ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকায় নদীর তীরে নোঙর করা ছিল। বরিশাল থেকে ছেড়ে আসা সুন্দরবন-১৬ নামে একটি যাত্রীবাহি লঞ্চ ঘন কুয়াশার কারণে বাল্কহেডটিকে দেখতে না পেয়ে পেছেন থেকে ধাক্কা দেয়। তখন বাল্কহেডটি নদীতে ডুবে গেলে ভেতরে থাকা পাঁচজন শ্রমিক তলিয়ে যান। তাদের মধ্যে তিনজন সাঁতরে তীরে উঠলেও জহিরুল ও হাসান নামে দুই শ্রমিক নদীতে নিঁখোজ হন। খবর পেয়ে পাগলা নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।


