১৫/০১/২০২৬, ৫:৪৭ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ৫:৪৭ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত, স্থানীয়দের সঙ্গে যবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

বিজ্ঞাপন

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়ক যশোর-চৌগাছা সড়কের আমবটতলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। থেমে থেমে চলা প্রায় ঘন্টাখানিক এই সংঘর্ষে অন্তত ৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যবিপ্রবির এক নারী শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের সামনে আমবটতলা মোড়ে ফটোকপির দোকানে যান। দোকানদার ওই শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করেন। পরে ক্ষিপ্ত হয়ে যবিপ্রবির কয়েকজন শিক্ষার্থী ওই দোকানদারকে মারধর করেন। পরে স্থানীয় দোকানদাররা উত্তেজিত হয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে সংঘর্ষে জড়ান। দীর্ঘক্ষণ ধরে যশোর- চৌগাছা সড়কের উপর ইট পাটকেল ছোড়াছুড়ি করে দুই পক্ষই।

এতে অন্তত ৫ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। পরে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ঢুকে গেলে; স্থানীয় ক্যাম্পাসের সামনের সড়কে টায়ার বেঞ্চ পুড়িয়ে দিয়ে বিক্ষোভ করে। এতে সড়কটিতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় ফাঁড়ি, থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।


যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল মজিদ বলেন, ‘স্থানীয়রা শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করেছে। অন্তত ৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে বলে শুনেছি। গুরুতর আহত হয়েছে কিনা; এই মূর্হতে বলা সম্ভব হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ আনতে না পারায়; পরে সেনাবাহিনী, পুলিশসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের আহ্বান জানায়। এখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে; কি কারণে এই ঘটনাটি ঘটেছে।


যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার জানন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আহতের সংখ্যা এখনই বলা যাচ্ছে না।

পড়ুন: শীতে কাঁপছে তেঁতুলিয়া, শৈত্যপ্রবাহের আভাস

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন