চাঁপাইনবাবগঞ্জের তরুণ ব্যবসায়ী শামীম বাবু। একটি বীমা কোম্পানির অফিসে গিয়ে পরিচয় হয় রাজশাহীর শিল্পী আক্তার নামে এক নারীর সঙ্গে। এরপর
বন্ধুত্ব থেকে প্রেম এবং বিয়ে। বিয়ের পর কয়েক লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র কিনে দেয়। হঠাৎ করে তার স্ত্রী শিল্পী আক্তার ২০ লাখ টাকা দাবি করছে। টাকা না দেয়ায় র্যাব, পুলিশ, ডিবি পরিচয়ে বিভিন্ন মানুষকে দিয়ে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছে। মিথ্যা চুরির মামলা দিয়ে
হয়রানির করছে। শিল্পীর বিরুদ্ধে আগেও প্রতারণা ও ব্লাকমেইল করে দুটি বিয়ের অভিযোগ রয়েছে। সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের একটি অফিসে এক সংবাদ সম্মেলন এমন অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ী শামীম বাবু।
তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাখের আলী গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত শিল্পী আক্তার রাজশাহীর বাঘা এলাকার ফজলুর মেয়ে।
তিনি বলেন, টিকটক ইমো ফেসবুকে তরুণ-যুবকদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়েছে। এখন পর্যন্ত তার তিনটি বিয়ে তথ্য পেয়েছি। এর আগে হারুন নামের এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। ঠিক একই কৌশলে যৌতুকের মামলা করে, সেই মামলা তুলে নেওয়ার শর্তে হারুনের কাছ থেকে তিনি আদায় করেন ৭ লক্ষ টাকা। ফেসবুক ও ইমুতে বিভিন্ন পুরুষের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে, পরে আইনি প্যাঁচে ফেলার হুমকি দিয়ে অর্থ আদায় করাই তার পেশা। শুধু এ দুটো ঘটনাই নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই নারী প্রতারণার ফাঁদ পাতে। আর এ ফাঁদের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তার টার্গেট প্রবাসী ও তরুণ ব্যবসায়ীদের।
ব্যবসায়ী শামীম বাবুর দাবি, প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে, তারপর কৌশলে অর্থ হাতিয়ে নেয়া তার পেশা। শিল্পী এখন আমার সঙ্গে সংসার করবেন না। কিন্তু ২০ লাখ টাকা আদায় করতে হুমকি আর মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। এ ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচার দাবি করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে শিল্পী আক্তার বলেন, আমরা দুজনে বিয়ে করেছিলাম, কিন্তু এখন সংসার করব না। স্বামীর নামে চুরির মামলা করার বিষয়ে জানতে চাইলে, কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
পড়ুন: সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবীতে ঝিনাইদহে মানববন্ধন
দেখুন: কুমিল্লার বিপিএল শিরোপা জয়ের ঐতিহাসিক মুহূর্ত |
ইম/


