বিজ্ঞাপন

নিখোঁজের দুইদিন পর প্রতিবেশীর সেফটিক ট্যাংকে মিলল শিশুর লাশ

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানায় নিখোঁজের দুইদিন পর তায়েবা হক নামের এক মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর সেফটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সখিপুর ইউনিয়নের ছৈয়াল কান্দি এলাকায় প্রতিবেশী মেজবাহ উদ্দিন মোল্যার সেফটিক ট্যাংকে মরদেহটির সন্ধান পাওয়া যায়। এর আগে গত বুধবার থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিলো।

তায়েবা হক সখিপুর ইউনিয়নের ছৈয়াল কান্দি এলাকার বাসিন্দা টিটু সরদারের মেয়ে। সে স্থানীয় দারুন নাজাত মাদ্রাসা কমপ্লেক্সের নার্সারী(শাপলা) তে পড়াশোনা করতো।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তায়েবা হক বুধবার বিকালে বাসা থেকে খেলার উদ্দেশ্যে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে সখিপুর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং ও পোস্টারি শুরু করেন। তবে এরপরেও নিখোঁজ তায়েবা হকের খোঁজ খবর পাওয়া যায় নি।

আজ শুক্রবার ছৈয়াল কান্দি এলাকাজুড়ে খুঁজা খুজি শুরু করেন স্বজন ও এলাকাবাসীসহ অনেকেই । এরপর তায়েবার বাড়ি থেকে খানিকটা দুরে মেজবাহ উদ্দিন মোল্লার বাসার সেফটিক ট্যাংকের ঢাকনা কিছুটা খোলা দেখলে সন্দেহ হয়। পরে ঢাকনা সরিয়ে সেখানে তায়েবার মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় পরিবার ও স্থানীয়রা।

নিহিত তায়েবার বাবা টিটু সরদার কান্নায় ভেঙে পড়া অবস্থা শুধু হত্যাকারীর ফাঁশি দাবি করেছেন।

এ ব্যাপারে সহকারী পুলিশ সুপার (ভেদরগঞ্জ সার্কেল) সৌম্য শেখর পাল বলেন, শিশুটির নিখোঁজের ব্যাপারে সখিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ রয়েছে। এরপর থেকেই পুলিশ বিভিন্ন মাধ্যমে তল্লাশির কাজ করছিলো। শুক্রবার দুপুরে খবর পেয়েছি বাড়ির পাশে একটি সেফটিক ট্যাংকের ভেতর তার মরদেহ পাওয়া গিয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করলে এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পড়ুন: গাজীপুরে কাপাসিয়াবাসীদের প্রীতি সম্মেলন ও উন্নয়ন ভাবনা শীর্ষক নির্বাচনী মতবিনিময়

দেখুন: পুঁজিবাজারে কোটিপতি বাড়ছে

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন