বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তবাদী এমন একটি দল, যার ধারাবাহিক ও ঐতিহ্য আছে। কোটি কোটি মানুষ এই দলটির প্রতি আস্থা ও ভরসা রাখে। এই আস্থা ও ভরসা রাখার কারনেই বহু মানুষকে স্বৈরাচারের অত্যাচার ও জেল জুলম, নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। তারপরও বিএনটিকে টিকে রাখতে তারা ঝান্ডা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আমরা এমন সময় ৩১ দফা ঘোষনা করছি। যখন কেউ স্বৈরাচারে বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পেত না। আমরা সেই স্বৈচারের রক্ত চক্ষু অপেক্ষা করে তত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তুলছিলাম। এখন যদি আমরা নিজেরা ঐক্যবদ্ধ না হই, তাহলের ৩১ দফা বাস্তবায়ন হবে না। ৩১ দফা বাস্তবায়ন না হলে গত ১৫ বছরের অত্যাচার, জুলুম নির্যাতন সব কিছু বৃথা হয়ে যাবে।
আজ মঙ্গলবার বিকালে গাইবান্ধায় বিএনপির রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ভার্চুয়ালে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে। যেটি আমি গত আট মাস আগেই বলে ছিলাম। অনেক অদৃশ্য শক্তি ও ক্ষমতা আস্তে আস্তে দৃশ্যমান হচ্ছে। তাই যে সব নেতাকর্মীর কাজ কর্ম সাধারন মানুষ সমর্থন করে না। তাদের দল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া নিদের্শ দেন। দেশের জন্য, মানুষের জন্য কেউ যে কোন দল ভালো কিছু করতে চাইলে সেটির প্রতি আমাদের পূর্ন সমর্থন থাকবে। দেশে যত ভালো কাজ হয়েছে, তার ৭০ ভাগই বিএনপি করছে।
৩১ দফার ঘোষনা পত্র সাধারন জনগনের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়। এর আগে আজ বেলা ১১টার দিকে জেলা ইনডোর স্টেডিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
উক্ত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক। এতে অন্যান্যদের মধ্য বক্তব্য দেন বিএনপির মিডিয়া সেলের আহবায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, বিএনপির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা,বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য অ্যাডভোকেট ফারজানা শারমিন পুতুলসহ অনেকেই।
পড়ুন : গাইবান্ধা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সারোয়ার কবিরকে দিনাজপুরে গ্রেপ্তার


