১৫/০১/২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
16 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নিরপরাধ ব্যক্তিদের জেলে দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে প্রবাসীর স্ত্রীর পরকীয়ার ঘটনাকে আড়াল করতে মিথ্যা ধর্ষণচেষ্টার মামলা দিয়ে তদন্ত ছাড়াই নিরীহ দুই ব্যক্তিকে জেলে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে প্রবাসীর স্ত্রী শারমিন আক্তারের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার চর মজিদ গ্রামে সংবাদ সম্মেলন করে মামলার তিন স্বাক্ষী হোসনেয়ারা বেগম, আবদুল কাইয়ুম ও খতিজা খাতুন এই অভিযোগ তুলে ধরেন।

স্বাক্ষীরা জানান, প্রবাসী মো. রাসেলের স্ত্রী শারমিন আক্তার গত ১৬ জুন রাতে নিজ ঘরে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে-নাতে ধরা পড়েন। পরে সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিরা পারিবারিক সম্মান রক্ষায় বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

কিন্তু তিন মাস পর প্রবাসী রাসেল দেশে ফিরে এলে শারমিন আক্তার তার পরকীয়ার ঘটনা ঢাকতে প্রতিবেশী মাকছুদ উদ্দিন, নবী ও মাহফুজুল হকের বিরুদ্ধে আদালতে ধর্ষণচেষ্টার ভুয়া মামলা দায়ের করেন।

মামলার স্বাক্ষী হোসনেয়ারা বেগম অভিযোগ করেন, “বাদী শারমিন আমার স্বামীকে মামলার তৃতীয় আসামি করে আমাকেও করেছে প্রথম স্বাক্ষী। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক কামরুন নাহার আমাদের কাউকে না জানিয়ে কিংবা কোন বক্তব্য না নিয়েই মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ভুয়া জবানবন্দি ও স্বাক্ষর যুক্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেন।”

তিনি আরও বলেন, গত ৬ অক্টোবর সেই প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের পরই নিরপরাধ আসামি নবী ও মাহফুজুল হককে পুলিশ গ্রেফতার করে জেলে পাঠায়।

সংবাদ সম্মেলন থেকে আসামিদের নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলার বাদী শারমিন আক্তার এবং তদন্ত কর্মকর্তা কামরুন নাহারকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান ভুক্তভোগীরা ও মামলার স্বাক্ষীরা।

সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেয়। পরে তারা ভুয়া মামলা প্রত্যাহার এবং তদন্ত ছাড়াই ভুয়া প্রতিবেদন দাখিল করায় জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক কামরুন নাহারের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক কামরুন নাহার মুঠোফোনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নোয়াখালীতে চালককে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন