১৪/০১/২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শেষ: সবার দৃষ্টি তফসিলে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। নির্বাচন আয়োজনের সবধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের ভেতরে ও বাইরে এখন সমস্ত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—কবে তফসিল ঘোষণা হচ্ছে?

বিজ্ঞাপন

ইসির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে আজ বুধবার সন্ধ্যা বা বৃহস্পতিবারের মধ্যেই তফসিল ঘোষণা করা হবে। এই লক্ষ্যে বুধবার বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) ভাষণ রেকর্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিইসির ভাষণেই থাকবে ভোটের তারিখসহ পুরো তফসিল।

ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই ভোটগ্রহণের সম্ভাবনা

ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছে— ৫, ৮ বা ১২ ফেব্রুয়ারি। এ ছাড়া বিকল্প দিন হিসেবে কমিশন চাইলে ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারিও ব্যবহার করতে পারে।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, এ সপ্তাহেই তফসিল ঘোষণা করা হবে। একই দিন বিকেলে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, কমিশনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। তফসিল ঘোষণা এখন শুধুই সময়ের বিষয়।”

তিনি জানান, আসন–বিন্যাস, রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রজ্ঞাপন, ২০টির মতো সার্কুলার, মোবাইল কোর্ট, ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি, মনিটরিং সেল, আইন-শৃঙ্খলা সেলসহ সব প্রক্রিয়া প্রস্তুত।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান বলেন, “বুধবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের পর সন্ধ্যায় বা বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণা করা হবে।”

রমজান ও শবে বরাত বিবেচনায় ভোটের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ

ইসির একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ভোটের দিন কোনো কেন্দ্রে স্থগিতাদেশ এলে এক সপ্তাহের মধ্যে পুনরায় সেখানে ভোট নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সে কারণে ভোট যেন রমজানের সঙ্গে না মিলে যায়, তা নিশ্চিত করতে চায় কমিশন।

আগামী বছরের রমজান শুরু হতে পারে ১৮ বা ১৯ ফেব্রুয়ারি। তাই কমিশন ভোটগ্রহণের তারিখ রাখতে চাইছে ৫ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। অন্যদিকে, শবে বরাতের সম্ভাব্য তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি। সরকার এ তারিখের আগে ভোট দিতে না চাইলে, শবে বরাতের পরই নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।

১২টি পূর্ববর্তী জাতীয় নির্বাচন: সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ভোট

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ১২টি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে— আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছে ৬ বার, বিএনপি সরকার গঠন করেছে ৪ বার, জাতীয় পার্টি সরকার গঠন করেছে ২ বার

সর্বোচ্চ ভোট পড়েছিল: ২০০৮ সালের নবম জাতীয় নির্বাচনে — ৮৭%, সর্বনিম্ন ভোট পড়েছিল: ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ জাতীয় নির্বাচনে — ২৬.৫%

পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সিইসির সাক্ষাৎ আজ

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন