ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষে থেকে বলা হয়েছে আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন দিবেন। তার আগে প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো তারা করবে। কিন্তু একটি দল এবছরের ডিসেম্বরেই নির্বাচন চাই। যারা নির্বাচনের জন্য তারাহুরো করে তাদের ইতিহাস ও বর্তমান কর্মকান্ড বাংলাদেশের মানুষ জানে ও দেখছে।
মঙ্গলবার শেষ বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আয়োজনে শহরের আটগ্যালারি ৭১ অপরাজয় মাঠে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত গণহত্যার বিচার সংখ্যানুপাতিক (চজ) পদ্ধতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন, বিতর্কিত নারী সংস্কার কমিশন বাতিল ও ইসলাভিত্তিক কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে এক জনসভায় তিনি একথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, জুলাই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে,আহত হয়ে অনেকেই এখনো হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছে। অনেক ছেলে অন্ধ হয়ে গেছে। আগে তাদের দেখতে হবে,সংস্কার করতে হবে। কিন্তু ইদানীং বিচার ও সংস্কারের চেয়ে নির্বাচনের কথা বেশি শুনি। সরকারের পক্ষে থেকে তো বলা হয়েছে জুনের মধ্যে নির্বাচন, তাহলে তো তাড়াহুড়ো কেন?
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাজ করতে নানা বাধা আসছে দাবি করে তিনি বলেন, সরকারের প্রধান উপদেষ্টা আমাদের আক্ষেপ করে বলেছেন, দেশী ও বেদেশী যন্ত্রের কারণে কাজ করতে পারছি না। সব দিক দিয়ে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রের স্বীকার হচ্ছি।
আগামী নির্বাচনে নিজের দলের প্রতি মানুষরে ভোট চেয়ে তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলনকে ছোট মনে করলে হবে না। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এখন অনেক শক্তিশালী। আমরা ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার মতো যোগ্যতা অর্জন করেছি। দেশ ও মানবতার বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র তৈরি হলে আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলব।
সংগঠনটির ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ হাফিজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব প্রকৌশলী মুহম্মাদ আশরাফুল আলম, কেন্দ্রীয় ইসলামী যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি মানসুর আহমাদ সাকী, কেন্দ্রীয় ছাত্র আন্দোলনে সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মাহাবুবুর রহমান নাহিয়ান, কেন্দ্রীয় শ্রমিক আন্দোলনের তথ্য প্রযুক্তি ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ আনিছুর রহমান প্রমুখ।
পড়ুন : ঠাকুরগাঁওয়ে হঠাৎ করেই একের পর এক অসুস্থ হচ্ছে হাফেজিয়া মহিলা মাদ্রাসার ছাত্রীরা


