বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেছেন, নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে কিনা এ বিষয়টি তিনটি সত্যির উপর নির্ভর করে। একটা হলো বর্তমান প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বাধীন সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সেনাবাহিনী। আমরা পর্যবেক্ষণ করবো, যদি দেখি লেভেল প্লেইং ফিল্ড গঠিত হয় নাই, যে কারনে হচ্ছে না, সে কারনটি উল্লেখ করে দূর করার জন্য বলা হবে।
তিনি বলেন, কোন ইলেকশন হয় নাই, আদালতের আদেশ শেষ, নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা শেষ, সরকারের বক্তব্য শেষ, মেয়াদও শেষ এরপরও নগর ভবন দখল করে আনহল্ডফুল পাওয়ার এক্সারসাইজ (বেআইনী ক্ষমতা দখল) করে চলছে। আনহল্ডফুল পাওয়ার দেখিয়ে ম্যাসেজ দেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনে নির্বাচন হোক বা না হোক আমরাই এ দেশ পরিচালনা করবো। এটার নাম লেভেল প্লেইং ফিল্ড নয়। সুতরাং লেভেল প্লেইং ফিল্ড গঠন করতে হলে এ ধরণের আনহল্ডফুল পাওয়ার এক্সারসাইজ যা আছে সব কিছু বন্ধ করতে হবে। যদি বন্ধ করতে না পারেন, তাহলে বুঝা গেল যে নির্বাচন নিরপেক্ষ হবার পরিবেশ তৈরী হয় নাই।

শুক্রবার সকালে টাউন হল তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে পৌরসভা ও ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি, সেক্রেটারিদের নিয়ে দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য আব্দুর রব। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারী ড. ছামিউল হক ফারুকী, জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর কামরুল হাসান মিলনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
তিনি আরো বলেন, সেনাবাহিনী আমাদের সম্মান ও শ্রদ্ধার পাত্র। সেনাবাহিনী জনগণের পক্ষে থাকবে। কোন বিশেষ দলকে পূনর্বাসিত করা, কোন পক্ষের সমর্থন করার সুযোগ বাংলাদেশে কোন কর্তৃপক্ষের নেই এবং কোন রাষ্ট্রীয় সংস্থার নেই। জনগণের মধ্যে সবাই আছে। জনগণের মধ্য থেকে যারা কাজ করতে চান, সেটা করার জন্যই সেনাবাহিনী জনগণের পাশে থাকবে। এটাই সেনাবাহীনীর পক্ষে আমাদের প্রত্যাশা এবং সেনাবাহিনী সেই ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করবে এটাই সবাই চায়।
পড়ুন : ময়মনসিংহে ওজন স্তর সংরক্ষণে বিভাগীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে


