“চা খাওয়াও, না হলে কাজ হবে না” জয়পুরহাট উপজেলা নির্বাচন অফিসে আসা এক সেবা প্রত্যাশীকে এসব কথা বলেন
জয়পুরহাট সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইমরান হোসেন।
এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রী ডলি আক্তার স্বর্ণার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) আবেদন দীর্ঘ এক মাসেও কার্যকর না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্য সজিব হোসেন।
সজিবের অভিযোগ তাঁর স্ত্রী গত ১৬ মে ২০২৫ তারিখে জয়পুরহাট উপজেলা নির্বাচন অফিসে এনআইডির আবেদন করেন। আবেদন জমা নেওয়ার কথা বলে বারবার তাকে ঘুরানো হয়। সর্বশেষ ১৯ জুন বেলা ১১টায় সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলে কর্মকর্তা ইমরান হোসেন তাঁর কাছে ২ হাজার টাকা ঘুষ চান। টাকা না দিলে কাজ হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন।
সজিব বর্তমানে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ডিএসবি সদস্য হিসেবে কর্মরত। এর আগে তিনি জয়পুরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়, আদালত ও হাসপাতাল এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, এ কর্মকর্তা চা খাওয়ার অজুহাতে অনৈতিক সুবিধা নিতে চান; তার স্ত্রীর আবেদনও ‘চা না খাওয়ানোয়’ ফাইলচাপা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইমরান হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কারও কাছে টাকা চাইনি। কাগজপত্র ঠিক থাকলে ডলি আক্তার স্বর্ণার এনআইডি দ্রুত ইস্যু হয়ে যাবে। ভোটার তালিকা সেবা শতভাগ নিয়ম মেনেই দেওয়া হয়; ঘুষের প্রশ্নই ওঠে না।
এনএ/


