গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে বসতবাড়ি জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের নেতা মো. নাইমুল ইসলাম রিদমের বিরুদ্ধে। তিনি গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধ) সদস্য ও সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের কিশামত শেরপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম ছবুরের ছেলে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের কিশামত শেরপুর গ্রামের মৃত নছির উদ্দিনের শেখে ছেলে মোত্তালেব শেখে মালিকীধীন বসত ভিটা দীর্ঘ দিন থেকে জবর দখল করা চেষ্টা করেন। চলতি মাসের ২২ তারিখ রোববার সকালে একদল সন্ত্রাসী নিয়ে নাইমুল ইসলাম রিদম মোত্তালেব শেখের বসত বাড়িতে গিয়ে একদল সন্ত্রাসী নিয়ে গিয়ে দিবালকে হামলা চালিয়ে বাড়ি ঘর ভাংচুর করে দুটি গরু নিয়ে যায়। পরে সেই গরু বিক্রি করে মোত্তালেবে বাড়িতে যাওয়া রাস্তা ইট দিয়ে প্রাচীর করে বন্ধ করে দেয় এবং মোত্তালেব শেখের পরিবারকে প্রান নাশে হুমকি দেন। মৃত্যুর ভয়ে দিনমজুর মোত্তালেব শেখ বর্তমানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। মোত্তালেব শেখ বাদী হয়ে এ বিষয়ে আজ বুধবার বিকালে সাদুল্লাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
মোত্তালেব শেখ বলেন, আমার বাবার পৈতিক বসতভিটা চারশত শতক। সেই বসতভিজা টুকু নাহিমুল ইসলাম রিদম বিক্রি করে অন্যত্র যাওয়ার জন্য দীর্ঘ দিন থেকে চাপ দিয়ে আসছিল। আমি রিদমদের চারশত জমির বর্তমান দাম ও জমিতে আধাঁ পাকাঘর তৈরীর সাত লাখ খরচে টাকা দাবি করি৷ কিন্তু মাত্র তিন লাখ টাকার বিনিময়ে দলিল করে দিয়ে সব ছেড়ে চলে যেতে বলেন। আমি তাতে রাজি না হওয়ায় তারা আমার বাড়ি গিয়ে হালমা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর চালিয়ে – লুট করে
দুটি গাভী গরু নিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, গরু দুটি বিক্রি করা টাকা দিয়ে ইট কিনে আমার বাড়ি যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। আমাকে প্রতিনিয়ত হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। আমি এখন আত্নীয় স্বজনের বাড়িতে পালিয়ে বেড়াচ্ছি।
এ বিষয়ে নাইমুল ইসলাম রিদমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ গুলো মিথ্যা বলে ফোন কেটে দেন।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আব্দুল আলিম বলেন, আমি ২৬শে মার্চের প্রোগ্রাম নিয়ে সারাদিন ব্যক্ত ছিলাম। আজ বিকালে অভিযোগটি হয়তো ডিউটি অফিসারকে দিয়েছেন। অভিযোগটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

