মাদারীপুর-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জাহান্দার আলী মিয়া বলেছেন, সারা বাংলাদেশে ধরপাকর শুরু হয়েছে, মাদারীপুরেও চলছে। এই দেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ খারাপ, সেটা বলা যাবে না। তাদের মধ্যেও ভাল লোক আছে। গ্রামে দ্বন্দের কারনে যদি ভাল লোকদের আসামি করা হয়, আর তাদের গ্রেফতার করা হয়, তাহলে দেশের মানুষ শান্তি পাবে না। জনগন কষ্ট পাবে। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা থাকবে না। এতে মানুষ ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবে না।
শনিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়নের আদিত্যপুরে ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পরে প্রধান অতিথি সেখানে উদ্বোধন করেন দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের।
মাদারীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাহান্দার আলী মিয়া আরো বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন দেশের মানুষের বহুদিনের প্রত্যাশা, যার যার ভোট তাদের পছন্দের প্রার্থীকে দিবে। কিন্তু বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। সব শ্রেণিপেশার মানুষ নির্বিঘে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিবে, সেই প্রত্যাশা করছি। ধরপাকর আর ভয়ভীতি দেখানো হলে, তাহলে মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাবে না। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সুনাম আসবে না। কোনগোষ্ঠীর পরামর্শ নিয়ে আইন প্রয়োগ না করার আহবান।
জাহান্দার আলী মিয়া আরো বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্বভার গ্রহনের করেছেন তারেক রহমান। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সবাই শোকাহত। সবাই আশা করছি খালেদা জিয়ার জায়গাটুকু গ্রহন করে, সেইভাবে আগামীর দেশ পরিচালনা করবেন তারেক রহমান। দেশের মানুষও তার প্রতি তাকিয়ে আছে।
সদরের কুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম হাওলাদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও মাদারীপুর জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) গোলজার আহম্মেদ মোস্তফা চিশতি, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতুর্জা আলম ঢালী, সাংগঠনিক সম্পাদক গাউছ উর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদালী মেমোরিয়াল হসপিটাল ও ডায়গনস্টিক সেন্টারের স্বত্ত্বাধিকারী ডা. রেজাউল করিম রেজাসহ অনেকেই।
পড়ুন- ফরিদপুরে কৃষকলীগ সভাপতিসহ আওয়ামী লীগের পাঁচ নেতার পদত্যাগ, বিএনপিতে যোগদান


