১০/০২/২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ
26 C
Dhaka
১০/০২/২০২৬, ১২:৪৩ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নীলফামারী-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন

নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসাবে অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকারে নাম ঘোষনা করা হয়েছে। কিন্তু বিএনপি মনোনীত এ প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে র‍্যালী ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আজ রোববার বিকেলে স্থানীয় প্রেসক্লাবের সামনে এসব কর্মসূচী পালন করে মনোনয়ন বঞ্চিত সদ্য সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রিয়াদ আরফান সরকার রানার কয়েকশ সমর্থক। রিয়াদ আরফান সরকার রানা বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র মরহুম আমজাদ হোসেন সরকারের ছেলে।

ওইদিন সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার রানার সমর্থকরা স্থানীয় পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে একত্রিত হয় । পরে তারা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সৈয়দপুর প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ। ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে সড়কে যানবাহন চলাচল কিছুটা সীমিত হয়ে আসে। রিয়াদ আরফান সরকার রানার সমর্থকরা হাতে হাতে নানা প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। বিভিন্ন কথা লেখা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে দাঁড়িয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের প্রধান দাবি ছিল, দলীয় সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে বিতর্কিত প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হোক।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সমর্থকরা জানান, সঠিক ব্যক্তিকে মনোনয়ন না দেওয়া পর্যন্ত তাদের এই প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া অনেকেই অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকারের বদলে রিয়াদ আরফান সরকার রানাকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মনোনয়ন বঞ্চিত প্রার্থী রিয়াদ আরফান সরকারের তাৎক্ষণিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় সেই সময় দলের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে তাকে বহিস্কার করা হয়। সম্পতি তার বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

পড়ুন- মেহেরপুরে ট্রাক–মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে শিক্ষক নিহত

দেখুন- ‘লুটেরাদের সংসদে যাওয়া ঠেকাতে হবে’

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন