১১/০২/২০২৬, ৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
১১/০২/২০২৬, ৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় নিখোঁজ নুরুল আমিনকে নিয়ে রহস্য, গ্রেফতার ১

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের নুরুল আমিন ওরফে নুরু নিখোঁজের ঘটনায় হরিপুর গ্রামের সাইদুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সাইদুল ইসলাম পেশায় একজন বংশীবাদক এবং তিনি মৃত মাইনুল ইসলামের ছেলে।

মঙ্গলবার (১৩ মে) এতথ্য নিশ্চিত করেন থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান। এরআগে গত সোমবার নেত্রকোনা জেলা আদালত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কেন্দুয়া থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারকৃত সাইদুল ইসলাম এ মামলার আট নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।

এ মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে নিখোঁজ নুরুল আমিনের প্রতিবেশী রবিকুল ইসলামকে, যিনি সিদ্দিক মিয়ার ছেলে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ১৭ মার্চ রাত সাড়ে ১১টার দিকে নুরুল আমিন ধান ক্ষেতে সেচ দিয়ে বাড়ি ফেরেন। রাত অনুমান ১২টার দিকে তিনি ঘুমাতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক এসময় প্রধান আসামি রবিকুল ইসলাম তাকে ডেকে বাড়ির বাইরে নিয়ে যায়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। সম্ভাব্য সবস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পাওয়ায় পরদিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

ঘটনার কোনো অগ্রগতি না থাকায় ২১ মার্চ কেন্দুয়া থানায় মামলা করেন নিখোঁজ নুরুর স্ত্রী ডেইজি আক্তার। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হত্যা উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগ আনা হয় তা মামলায় উল্লেখ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাদী পক্ষ ও বিবাদীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ ও শত্রুতা চলছিল। একপর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মধ্যস্থতায় বিষয়টির মীমাংসাও হয়েছিল। যা মামলার এজাহারেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ নুরুল আমিনের পরিবারের সদস্যরা তার খোঁজে এখনো অপেক্ষায় রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নেত্রকোনায় বিয়ের দাবিতে মাদরাসা ছাত্রের বাড়িতে স্কুলছাত্রী

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন