26.3 C
Dhaka
০৬/০৩/২০২৬, ২১:৩১ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় রাতের আঁধারে বিকাশ ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে টাকা ছিনতাই

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় রাতের আঁধারে এক মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসায়ীকে মারধর করে প্রায় ৭০ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর নাম স্বাধীন মজুমদার। তিনি সাতগাঁও বাজারের একজন পরিচিত নগদ, বিকাশ ও ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিষয়টি জানতে খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসিরউদ্দিনকে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার কাছ থেকে তথ্য ও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে মেন্দিপুর ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা বিট অফিসার মো. নাজমুল হাসান জানান, ‍“ঘটনাটি আমি শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এরআগে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মেন্দিপুর ইউনিয়নের সাতগাঁও গ্রামের রসুলপুর এলাকায় এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাতেও নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন স্বাধীন মজুমদার। পথে সাতগাঁও গ্রামের রসুলপুর এলাকার বড় কালভার্টের কাছে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা দুজন অজ্ঞাত ছিনতাইকারী পেছন থেকে অতর্কিত তার ওপর হামলা চালায়। এসময় তারা স্বাধীনের হাতে থাকা টাকার ব্যাগটি জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

স্বাধীন নিজের উপার্জিত টাকার ব্যাগ দিতে অস্বীকৃতি জানালে ছিনতাইকারীরা তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকে। এতে তার মুখে গুরুতর আঘাত লাগে এবং রক্তপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা তার কাছে থাকা টাকার ব্যাগ ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে রাতের অন্ধকারে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে স্বাধীনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলেও ছিনতাইকারীদের টিকিটিও ছুঁতে পারেনি কেউ।

ভুক্তভোগী স্বাধীন মজুমদার হতাশা ব্যক্ত করে জানান, দোকান থেকে বের হওয়ার আগে তিনি ব্যাগে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা গুনে রেখেছিলেন। এর বাইরেও কিছু খুচরা টাকা ছিল। সব মিলিয়ে প্রায় ৭০ হাজার টাকা ও তার দুটি মোবাইল ফোন ছিনতাইকারীরা নিয়ে গেছে।

পড়ুন- ভোলা থেকে অবৈধভাবে পাচার কালে ৭১ টন সরকারি সার জব্দ

দেখুন- থাড ভে/ঙে দিল ইরান?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন