বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনার বারহাট্টায় আগুনে পুড়ল ৭ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার আসমা ইউনিয়নের হাজিগঞ্জ বাজারে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রাথমিকভাবে প্রায় ২৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরের দিকে বারহাট্টার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোছা. জিনিয়া জামান অগ্নিকান্ডের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এরআগে গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রাত ১১টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে বারহাট্টা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে- সোলাইমানের চা ও মনোহারী দোকান, রহুল আমিনের হোমিও ফার্মেসি, শাহজাহানের মনোহারী দোকান, শ্যামল রবি দাসের সেলুন, সরল ওষুধের দোকান, দুলালের ওষুধের দোকান এবং নিজাম উদ্দিনের হার্ডওয়্যারের দোকান। তবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় বাজারটি বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়।

এদিকে, আসমা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান ক্ষতিগ্রস্ত হাজীগঞ্জ বাজার পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফরমে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করতে বলা হয়েছে। তারা আবেদন করলে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। বিষয়টি ইতোমধ্যে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এবং ইউএনও মহোদয়কে বিস্তারিতভাবে অবগত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ইউএনও মোছা. জিনিয়া জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারি সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা আবেদন করলে যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে সরকার থেকে তাদের এই আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হবে।

দেখুন- ইরানি ড্রো/নে/র তা/ড়া খেয়ে সরে গেল মার্কিন রণতরী?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন