ব্যবসায়িক সাফল্য ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকারের সম্মানসূচক ‘গোল্ডেন ভিসা’ পেয়েছেন বাংলাদেশী তরুণ উদ্যোক্তা মো. ফায়জুল আহমেদ। নিজের দক্ষতা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে তিনি শুধু নিজের ভাগ্যই বদলাননি, বরং প্রবাসে বাংলাদেশের মুখও উজ্জ্বল করেছেন। অসামান্য অর্জনের ফলে তিনি স্বপরিবারে আরব আমিরাতে দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের সুযোগ লাভ করেছেন।
ফায়জুল আহমেদের জন্মস্থান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। দেশটিতে তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- ‘দার আল আহলাম’, ‘আলাম আল ইতারাত’ এবং ‘ব্রাদার্স টায়ারস এস্পিএস এলএলসি’। শারজাহ ও আজমানে তার এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বেশ দ্রুতগতিতে প্রসার লাভ করেছে। নিজের সততা ও পরিশ্রমে তিনি স্থানীয় আরবীয় এবং আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের সঙ্গে অত্যন্ত শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।
জানা গেছে, আমিরাত সরকার ফায়জুল আহমেদের ব্যবসায়িক দক্ষতা, বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ, দেশটির অর্থনীতিতে আর্থিক অবদান এবং তার ব্যবসায়ের স্থায়ী কর্মকাণ্ড গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও বিবেচনা করে তাকে দীর্ঘমেয়াদি আবাসিক ভিসা প্রদান করেছে। গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার ফলে তিনি ও তার পরিবার পাঁচ থেকে দশ বছর পর্যন্ত আরব আমিরাতে নির্বিঘ্নে বসবাস, কাজ ও বিনিয়োগ করার বিশেষ সুবিধা পাবেন।
শুধু প্রবাসেই নয়, একজন গর্বিত ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ হিসেবে ফায়জুল আহমেদ দেশের অর্থনীতিতেও বড় ভূমিকা রাখছেন। দুবাইয়ের পাশাপাশি নিজ জন্মস্থান নেত্রকোনার দুর্গাপুরেও তিনি নিজস্ব বিনিয়োগে গড়ে তুলেছেন ‘হক এন্ড সন্স এলপিজি ফিলিং স্টেশন’ এবং ‘শেখ জায়েদ এগ্রো’ নামে দুটি বড় মাপের প্রতিষ্ঠান। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়েও কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।
ব্যবসায়িক সফলতার পাশাপাশি মানবকল্যাণেও পিছিয়ে নেই এই তরুণ উদ্যোক্তা। তিনি তার আমিরাতের প্রতিষ্ঠানগুলোতে অসংখ্য প্রবাসী বাংলাদেশী কর্মীকে কাজের সুযোগ করে দিয়েছেন। এতে একদিকে যেমন রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে, অন্যদিকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতেও ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
দুবাইয়ে দীর্ঘদিনের সুনাম, সততা ও সাফল্যের ভিত্তিতে মো. ফায়জুল আহমেদের গোল্ডেন ভিসা অর্জন তার ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের জন্য যেমন এক বড় মাইলফলক, তেমনি পুরো প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্যও অত্যন্ত গর্বের বিষয় বলে মনে করছেন সেখানকার বাংলাদেশীরা।
পড়ুন : ১৯৯ তম ঈদুল ফিতরের জামাতের জন্য প্রস্তুত কিশোরগঞ্জ শোলাকিয়া ময়দান


