নেত্রকোনা-২ (সদর-বারহাট্রা) আসনের বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডক্টর আরিফা জেসমিন নাহিন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন।
চারবারের মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি নেত্রকোনা সদর আসনের একমাত্র নারীনেত্রী হিসেবে দলের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে উঠান বৈঠক ও প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
বিএনপি’র দলীয় কর্মী ও নেতারা বলেন, আরিফা জেসমিন একজন উৎসাহী ও দায়িত্বশীল নেত্রী, যিনি নারীর ক্ষমতায়ন, যুবসমাজের অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় উন্নয়নমূলক উদ্যোগগুলোতে ভূমিকা রাখছেন। তাদের মতে, তিনি স্থানীয়ভাবে পারদর্শীভাবে কাজ করে জনসাধারণের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করছেন এবং দলের সঠিক নেতৃত্বের মাধ্যমে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে বিশ্বাস করেন।
একাংশ নেতা মনে করেন যে, মূল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তার উপস্থিতি, দলের নীতিমালা ও স্থানীয় জনসংযোগ দক্ষতা নেতাদের কাছে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে এবং তাঁকে আগামী সময় আরও বড় দায়িত্ব দেওয়ার দাবি শক্ত হচ্ছে।
এ বিষয়ে নেত্রকোনা জেলা বিএনপি’র এক কার্যকরী সদস্য বলেন, মহিলা নেতৃত্বের শক্তি বাড়াতে আরিফা জেসমিনের মতো নেত্রীদের ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি দলের নীতি ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কঠোরভাবে কাজ করছেন এবং ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দায়িত্বে উন্নীত হবেন—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
এছাড়া বিএনপি’র স্থানীয় যুব নেতারা বলেন, সংগ্রামী নারীর চেতনায় তিনি অন্যতম, তাঁর রাজনৈতিক দৃঢ়তা ও সংগঠন ভিত্তিক নেতৃস্থানীয় দক্ষতা দলের বিপুল কৌশলগত শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির চরম সময়ের রাজপথ আন্দোলন ও সংগ্রামে ডক্টর নাহিন এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তিনি দলের প্রতিটি কর্মসূচীতে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং নারী সমাজের অধিকার আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
ডক্টর নাহিন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়া তিনি জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সুপ্রিম কোট ইউনিটের সাবেক সহ-সভাপতি, নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও যুগ্ম আহবায়ক, জেলা মহিলা দলের সাবেক আহবায়ক ও সভাপতি।
বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্ট থেকে উচ্ছেদের সময় ডক্টর নাহিন কোমরে আঘাত পান এবং পরে রাজপথে পুলিশের নির্যাতন ও গ্রেপ্তারের শিকার হন। ২০১১ সালের হরতাল থেকে ২০১৫ সালের গুলশান অফিসের ঘটনাসমূহে তিনি বারবার পুলিশি হয়রানির মুখোমুখি হয়েছেন।
দুঃসময়ে রাজপথের প্রতিটি আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে পরিছন্ন ইমেজ ও নির্ভরযোগ্যতার জন্য ডক্টর আরিফা জেসমিন নাহিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন।
পড়ুন- আমিরাতে ১৩০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র, ২ শতাধিক ড্রোন ছুড়েছে ইরান


