বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় কোটি টাকার তক্ষকসহ আটক ৯ জনের পরিচয় মিলেছে

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় পাচারের সময় কোটি টাকার হাঁসপায়া তক্ষকসহ নয় জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় পাচারের কাজে ব্যবহৃত একটি হাইয়েস মাইক্রোবাসও জব্দ করা হয়। আটককৃত নয় জনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, আটককৃতরা আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচারচক্রের সদস্য হতে পারে। এছাড়া স্থানীয়ভাবে কলমাকান্দা উপজেলার লেঙ্গুড়া ইউনিয়নের আলম, খালেক ও সুমনের সহযোগিতায় চক্রটি বন্যপ্রাণী শিকারে জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন- মো. শফিকুল ইসলাম (৫০), তানভীর হাসান (২৫), মো. শাকিল মিয়া (২৭), এসএম শিবলুর রহমান (৪৪), নুরুল ইসলাম (৪৩), আছমত আলী (৪৫), আব্দুল আজিজ (৬০), আব্দুল জলিল (৬৩) ও ফয়সাল (২৭)।

এদের মধ্যে অধিকাংশের স্থায়ী ঠিকানা নরসিংদী জেলার বিভিন্ন এলাকায় হলেও একজনের বাড়ি বরিশাল ও অপর আরেকজন মানিকগঞ্জ জেলার।

এ ঘটনায় কলমাকান্দা থানায় বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২ এর ৬(১)/৩৪(খ) ধারায় মামলা (মামলা নং-০৯, তারিখ-১৫/০৬/২০২৫) দায়ের করা হয়েছে। পরে আটককৃতদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৫ জুন) ভোরে কলমাকান্দা ইউনিয়নের চিনাহালা মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চলাকালে এসআই (নিঃ) মো. আবু হানিফার নেতৃত্বে একটি সন্দেহভাজন হাইয়েস মাইক্রোবাস আটক করা হয়। পরে গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি প্লাস্টিকের ঝুড়ির ভিতরে কালো-খয়েরি রঙের হাঁসপায়া তক্ষক (Gekko Gecko) উদ্ধার করা হয়। গাড়িতে থাকা নয় জন তক্ষক বহনের বিষয়ে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারায় তাদেরকে আটক করা হয়।

এ বিষয়ে কলমাকান্দা থানার দায়িত্বে থাকা ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ লুৎফর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পাচারের সময় কোটি টাকার হাঁসপায়া তক্ষকসহ নয় জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাচারচক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে হাঁসপায়া তক্ষকের দাম কয়েক কোটি টাকা পর্যন্ত ওঠে। এ কারণেই অনেক চোরাচালান চক্র এই বিপন্ন বন্যপ্রাণীটিকে পাচারের চেষ্টা করে থাকে।

এনএ/

দেখুন: নেত্রকোনায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে যা ঘটলো

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন