বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় যুবদল নেতা নিখোঁজের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, ৭ দিনের আল্টিমেটাম

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার গন্ডা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমানে ইউনিয়ন যুবদলের সক্রিয় নেতা মনকান্দা গ্রামের মো. রফিকুল ইসলাম (শামীম) নিখোঁজ হওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিখোঁজের ১৩ দিন পার হলেও তার কোনো খোঁজ না পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে কেন্দুয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি কেন্দুয়া বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এবং নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী আলহাজ্ব ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।

বিক্ষোভ শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ড. হিলালী নিখোঁজ শামীমকে সাত দিনের মধ্যে অক্ষত অবস্থায় তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।

তিনি বলেন, যদি এই সময়ের মধ্যে শামীমকে উদ্ধার না করা হয়, তাহলে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, গত ১০ জুলাই আমি নিখোঁজ শামীমের বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। সেই সময়ই আমি প্রশাসনকে তিন দিনের সময়সীমা দিয়েছিলাম তাকে খুঁজে বের করার জন্য। প্রশাসন নির্লিপ্ত থাকলে আন্দোলন আরও কঠোর রূপ নেবে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ শামীমের বড় ভাই মো. সাইফুল ইসলাম (৩৯) কেন্দুয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিতে উল্লেখ করা হয়, ২ জুলাই রাত সাড়ে ১১টার দিকে গন্ডা ইউনিয়নের পাহাড়পুর এলাকা থেকে শামীম নিখোঁজ হন। এরপর রাত সাড়ে ১২টার দিকে থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরদিন ৩ জুলাই থানায় জিডি করা হয়।

এ ঘটনায় পরিবারসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা গভীর উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। তারা দ্রুত শামীমের সন্ধান ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

পড়ুন: জামায়াত-শিবিরকে জুলাই নস্যাতের দায় নিতে হবে: মানিকগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দল

দেখুন: গত ১৭ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থাকে নিঃস্ব করা হয়েছে: শিক্ষা উপদেষ্টা 

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন