28.8 C
Dhaka
০৩/০৩/২০২৬, ২০:১০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নেত্রকোনায় স্কুলে ঢুকে ছাত্রকে পিটিয়ে আহত, হত্যার হুমকি

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের বাশাটী উচ্চ বিদ্যালয়ে এক স্কুলছাত্রের উপর সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত ছাত্র আনোয়ারের (১৫) পিতা মো. হাবিবুর রহমান কেন্দুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে এবং এলাকায় চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র আনোয়ারকে পূর্বশত্রুতার জেরে স্থানীয় কয়েকজন যুবক বিদ্যালয় মাঠে ঘেরাও করে মারধর করে।

হামলাকারীরা হলেন- জয় মিয়া (২০), সাগর মিয়া (২২), মোস্তাকিন (১৬), জিসান (২০), মাসুদ (১৮) ও নূরু মিয়া (২০)।

বাদীর ভাষ্যমতে, স্কুলে ছাত্রীদের উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় আনোয়ারের সাথে বিবাদীদের শত্রুতা তৈরি হয়। ঘটনার দিন বিবাদীরা তাকে ঘেরাও করলে আনোয়ার দৌঁড়ে স্কুল ভবনের ভেতরে আশ্রয় নেয়। কিন্তু জয় মিয়ার নেতৃত্বে হামলাকারীরা ভেতরে প্রবেশ করে আনোয়ারকে লাঠিসোটা দিয়ে বেধড়ক মারধর করে। এতে তার নাক-মুখে গুরুতর আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দ্রুত এগিয়ে এসে আনোয়ারকে রক্ষা করেন, নতুবা প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলার সময় বিবাদীরা প্রকাশ্যে হুমকি দেয়- “ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে খুন করে ফেলবে।”

আহত আনোয়ারকে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষক কাজিম উদ্দিন, ফারুক মাস্টার, মাহাবুবসহ স্থানীয়রা।

অভিযোগকারী হাবিবুর রহমান বলেন, আমার ছেলে প্রতিদিন আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। যেকোনো সময় তার প্রাণনাশ হতে পারে। আমরা আইনের আশ্রয় নিয়েছি।

কেন্দুয়া থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক তালুকদার বলেন, স্কুলে ঢুকে ছাত্রের উপর হামলা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জড়িতদের ছাড় দেওয়া হবে না।

পড়ুন: ভাঙ্গায় বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া খেয়ে মসজিদে আশ্রয় নিল পুলিশ

দেখুন: বরগুনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ময়লা আবর্জনায় অস্বাস্থ্যকর

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন