বিজ্ঞাপন

নোবেলজয়ী সাহিত্যিক মারিও বার্গাস য়োসা আর নেই

পেরুর নোবেলজয়ী ঔপন্যাসিক মারিও বার্গাস য়োসা আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তিনি মূলত স্প্যানিশ ভাষায় লিখতেন।

স্থানীয় সময় রোববার (১৩ এপ্রিল) পেরুর রাজধানী লিমায় তার জীবনাবসান হয় বলে খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

তার পরিবারের পক্ষ থেকে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে য়োসার ছেলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক আলভারো বার্গাস য়োসা লেখেন– অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের বাবা মারিও বার্গাস য়োসার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা এ সময় তার পাশে ছিলেন।

‘আন্ট জুলিয়া অ্যান্ড দ্য স্ক্রিপ্টরাইটার’, ‘ডেথ ইন দ্য আন্দিজ’ এবং ‘দ্য ওয়ার অব দ্য এন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর মতো বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের স্রষ্টা মারিও বার্গাস য়োসা। তাকে বিংশ শতাব্দীর লাতিন আমেরিকান সাহিত্য আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য করা হয়।

মধ্যবিত্ত পেরুভিয়ান পরিবারে জন্ম নেয়া য়োসা ষাট ও সত্তর দশকের লাতিন আমেরিকান সাহিত্য ‘বুম’-এর অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন, গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস ও হুলিও কোর্তাসারের সঙ্গে একই কাতারে উচ্চারিত হয় তার নাম। অশীতিপর এই লেখকের প্রয়াণের মধ্য দিয়ে লাতিন আমেরিকার সাহিত্যের সোনালি যুগের প্রজন্মের অবসান হলো।

১৯৯০ সালে পেরুর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়েছিলেন মারিও বার্গাস ইয়োসা। ১৯৯৩ সালে তিনি স্পেনে চলে যান এবং স্পেনের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। একই সময়ে পেরুর স্বৈরশাসক ফুজিমোরির বিরুদ্ধেও অবস্থান নেন।

২০১০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন মারিও বার্গাস য়োসা। সুইডিশ অ্যাকাডেমি তার ‘মানবিক চিত্র ও সমাজ বিশ্লেষণে গভীরতা ও সৌন্দর্যের’ জন্য তাকে এই সম্মানে ভূষিত করে। তিনি ফরাসি সাহিত্যিক গুস্তাভে ফ্লবার্তকে নিজের প্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন।

‘আন্ট জুলিয়া অ্যান্ড দ্য স্ক্রিপ্টরাইটার’ বইয়ের কাহিনী অবলম্বনে ১৯৯০ সালে নির্মিত হয় ‘টিউন ইন টুমরো’ নামের সিনেমা। এতে অভিনয় করেন কিয়ানু রিভস ও বারবারা হারশি।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : পদার্থবিজ্ঞানে নোবেলজয়ীর নাম ঘোষণা আজ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন