22.7 C
Dhaka
০৫/০৩/২০২৬, ০:২৪ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নোয়াখালীতে ইমামকে টেনেহেঁচড়ে নিয়ে মারধরের অভিযোগ

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়ায় এক মসজিদের ইমামকে তারাবির নামাজ শেষে টেনেহেঁচড়ে নিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের ৭ নম্বর চরবগুলা ওয়ার্ডের একটি মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ রয়েছে, তারাবির নামাজ শেষে মসজিদের ইমাম মাওলানা রবিউল হোসাইন মসজিদ থেকে বের হলে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে মারধর করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনের সময়ে তিনি ‘শাপলা কলি’ প্রতীকের এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছিলেন। সেই জেরে তার ওপর এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ৭ নম্বর ওয়ার্ড চরবগুলা এলাকার জামাল উদ্দিনের ছেলে শাহাদাত হোসেন (২৪), আবুল হোসেনের ছেলে রুবেল (২৬), ওসমান, সুমন, কালা মিরাজসহ আরও কয়েকজন ওই ইমামকে তারাবির নামাজের পর বেদম পিটিয়ে জখম করে।

মসজিদের ইমাম মাওলানা রবিউল হোসাইনকে পিটানোর বিষয়ে জানতে চাইলে হাতিয়া উপজেলা চরকিং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফখরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ইমাম মাওলানা রবিউল হোসাইনকে যারা পিটিয়ে জখম করেছে তারা কেউই বিএনপির নয়। এরা সবাই আওয়ামী লীগের লোক। সদ্য অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে তারা বিএনপি দলীয় প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীমের পক্ষে নির্বাচন করেছিল। এদের দুষ্কর্ম্মে বিএনপিরই বদনাম হচ্ছে। এ বিষয়ে আমাদের নেতা শামীম ভাইও মর্মাহত এবং ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেছেন।

একই বিষয়ে হাতিয়ার সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, বিগত সময়ে যারা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত ছিল, তারা এখন বিএনপির আশ্রয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে। প্রশাসনের উচিত সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: নোয়াখালীতে ভূমি বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলা-লুটপাট, বৃদ্ধা আহত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন