২৬/০২/২০২৬, ২০:১৪ অপরাহ্ণ
26 C
Dhaka
২৬/০২/২০২৬, ২০:১৪ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নোয়াখালীতে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ আহত ৩

নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নে নিজ গাছের কাঁঠাল পাড়তে গেলে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীদের হামলায় শিকার হয়ে নারীসহ ৩ জন গুরত্বর আহত হন। এই ঘটনায় পুলিশ ৩জনকে গ্রেফতারের পর আদালতে প্রেরণ করে।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) দুপুরে গ্রেফতারকৃত আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়। এরআগে বুধবার সকালে জেলা সদরের সালেহপুর গ্রামের এই ঘটনা ঘটে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, সদর উপজেলার সালেহপুর গ্রামের মো. তারেক, ছিদ্দিক উল্যাহর ছেলে মো. রাসেল ও আনোয়ার উল্যাহর ছেলে মো. ছিদ্দিক উল্যাহ।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী হাসিনা আক্তার ও আকরাম উল্যাহ অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতিপক্ষ ছিদ্দিক উল্যাহর নির্দেশে তার ছেলে মো. রাসেল ও কিশোর গ্যাং সদস্য তারেকসহ তাদের সঙ্গীয় সন্ত্রাসীরা আমাদের মালেকীয় ও দখলীয় কাঁঠাল গাছের কাঁঠালসহ আমাদের জায়গায় রোপিত সকল ধরনের ফলজ গাছের ফল আমাদের ভোগ করতে বাঁধা প্রদান এবং আমাদের প্রাণে হত্যাসহ লাশ গুমের হুমকি দিয়ে আসছে।

বুধবার সকালে আমরা আমাদের নিজ গাছের কাঁঠাল পাড়তে গেলে উল্লেখিত প্রতিপক্ষ ও কিশোর গ্যাং সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে আমাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আমাদেরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে। এসময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলার ঘটনায় আইনের আশ্রয় নিলে প্রাণে হত্যার হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। পরে স্থানীয়রা গুরত্বর আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এদিকে অভিযুক্ত ছিদ্দিক উল্যাহর মন্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে কল করলে সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, ঘটনায় ভুক্তভোগী হাসিনা আক্তার বাদি হয়ে ৬জনকে আসামি করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩ আসামিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের আজ দুপুরে আদালতে হাজির করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন: যুবদল কর্মী শাকিল হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল বেগমগঞ্জ

দেখুন: নোয়াখালী-কুমিল্লা সড়কে বদলে যাবে জীবনযাত্রায় মান

এস

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন