ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-০৬ (হাতিয়া) আসনের হরিণ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের পক্ষে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার রাতে হাতিয়া উপজেলার হরিণ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার ঘোষণা করেন তার ছেলে প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফারহান আজিম।
ইশতেহারে হাতিয়ার দীর্ঘদিনের অবহেলিত সমস্যা সমাধান এবং টেকসই উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরা হয়। এতে নদীভাঙন রোধ, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে অগ্রগতি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির অঙ্গীকার করা হয়।
ইশতেহারের উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতিসমূহ হলো- হাতিয়ায় ভয়াবহ নদীভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে হাতিয়া দ্বীপকে যুক্ত করতে ক্রসড্যাম নির্মাণ। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আওতায় উন্নয়নকৃত জরাজীর্ণ সড়ক সংস্কার ও কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ। মোক্তারিয়া-বন্দরটিলা ক্রসড্যামসহ নিঝুমদ্বীপের চারদিকে বেড়িবাঁধ নির্মাণ।
প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম মহিলা ডিগ্রি কলেজে অনার্স কোর্স চালু ও প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণ। হাতিয়া উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন এবং প্রতিটি ইউনিয়নে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন। এছাড়াও হাতিয়ার সব রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে প্রতিটি বিদ্যালয়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা, জাহাজমারা থেকে নিঝুমদ্বীপে সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
হাতিয়ায় শিল্প-কারখানা স্থাপন করে স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নিঝুমদ্বীপকে জাতীয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে সম্প্রসারিতকরণ এবং হাতিয়া পৌরসভা ভবন নির্মাণের কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়।
পাশাপাশি প্রতিটি বাড়িতে গভীর নলকূপ স্থাপন, হরণী, চানন্দী, সোনাদিয়া, বুড়িরচর ও জাহাজমারা ইউনিয়নকে বিভক্ত করে ১০টি ইউনিয়নে উন্নীতকরণ, হাতিয়া উপজেলাকে ৩টি উপজেলায় উন্নীতকরণ এবং ভবিষ্যতে হাতিয়াকে একটি জেলায় রূপান্তরের অঙ্গীকার করা হয়।
সোনাদিয়া, নিঝুমদ্বীপ, হরণী ও চানন্দী ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে হাতিয়া উপজেলার খালসমূহ সংস্কারের কথাও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইশতেহার ঘোষণাকালে বক্তারা বলেন, হাতিয়ার সার্বিক উন্নয়নে প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের বিকল্প নেই। জনগণের ভোট ও সমর্থন পেলে ঘোষিত প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে তিনি নিরলসভাবে কাজ করবেন।


