নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের মান্নান নগর বাজারে এক বছরের মাথায় আবারো ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৮টি দোকান ভস্মীভূত হয়ে গেছে।
শনিবার (২২ মার্চ) দিবাগত রাত পৌনে ১ টার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবী আগুনে দেড় কোটি টাকার বেশি মালামাল ও সম্পদের ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে নোয়াখালী মাইজদী ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ও সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় প্রায় দেড় ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে রাত পৌনে ৩ টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন সম্পন্ন নিয়ন্ত্রণের আগেই বাজারের ১৮টি দোকান ভস্মীভূত হয়ে যায়।
ভস্মীভূত হওয়া দোকানগুলো হলো- শাহজাহানের কাপড়ের সততা স্টোর, আজাদের চায়ের দোকান, আলাউদ্দিনের মুরগি দোকান, খলিলের মুদি দোকান, চিটাং হোটেল, আজাদের মুদি দোকান, গণেশের সেলুন দোকান, হোরনের হোটেল দোকান, সওদাগরের মুদি দোকান, আজাদ হোসেনের চা ও ভ্যারাইটিজ স্টোর, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংঘ, দুলাল বেপারীর মুদি দোকান, কালামের চায়ের দোকান, কাপড় বিতান, মুদি স্টোর, হাসেমের চায়ের দোকান ও ফারুকের মুরগি দোকান।
স্থানীয় ব্যবসায়ী গিযাস উদ্দিন মঞ্জুসহ একাধিক বাসিন্দা জানান, রাত পৌনে একটার দিকে দক্ষিণ বাজারে প্রধান সড়কের পশ্চিম পাশের হোরনের হোটেল থেকে আগুন লেগে তা দ্রুত বাজারের অন্য দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। হোটেলের চুলা নাকি বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না।

নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো.ফরিদ আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে মাইজদী এবং সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
আগুনে প্রায় ১৮টি দেকান পুড়ে গেছে। বাজারের একটি হোটেল দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নির্ধারণে কাজ চলছে।
উল্লেখ, ২০২৪ সালে ৩০ মার্চ রমজানে মধ্যে মান্নান নগরের একই স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৮টি দোকান ভস্মীভূত হয়ে যায়। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
পড়ুন: ফিলিস্তিনিদের উপর নির্বিচারে হামলা ও হত্যার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিক্ষোভ
দেখুন: নোয়াখালী সোনাইমুড়ী আনসার সদস্যের অভিযানে অ*স্ত্র উদ্ধার |
ইম/


