০১/০৩/২০২৬, ৬:২২ পূর্বাহ্ণ
18.1 C
Dhaka
০১/০৩/২০২৬, ৬:২২ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আহত তিন কিশোরের মৃত্যু

নোয়াখালীর চাটখিলে বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আহত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন তিন কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকার পৃথক দুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জয় ও রায়হান নামে দুই কিশোরের মৃত্যু হয়। গত সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে তানিম নামে আরেক কিশোরের মৃত্যু হয়। এরআগে, গত সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চাটখিল পৌরসভার ত্রিঘরিয়া এলাকার দল্টা ভিটা ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলো, উপজেলার বদলকোট ইউনিয়নের মধ্য বদলকোট গ্রামের হারুনুর রশীদের ছেলে হাসিবুর তানিম (১৬), একই ইউনিয়নের কুরিয়ার বাড়ির মানিক মিয়ার ছেলে মো.জয় (১৬) এবং একই ইউনিয়নের মো.রায়হান (১৭)। তারা সবাই স্থানীয় বদলকোট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে ৪ বন্ধু একটি মোটরসাইকেলে করে উপজেলার পাঁচগাঁও এলাকার একটি চায়ের দোকানে চা খেতে যায়। চা খেয়ে ৪ বন্ধু এক মোটরসাইকেলে করে নিজ গ্রামের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। যাত্রাপথে মোটরসাইকেল চাটখিল পৌরসভার ত্রিঘরিয়া এলাকার দল্টা ভিটা ব্রিজ অতিক্রম করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারায়। পরবর্তীতে মোটরসাইকেলটি সড়কের পাশে থাকা কড়ই গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে পুনরায় সড়কের উল্টো পাশের আরেকটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে মোটরসাইকেল আরোহী ৩ বন্ধু গুরুত্বর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তানিমকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করে। দুর্ঘটনার ৩দিন পর বুধবার সকাল পৌনে ৯টায় জয় ঢাকার মালিবাগ পিপলস হসপিটালে ও সকাল সোয়া ৯টার দিকে রায়হান ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। বুধবার সন্ধ্যায় তাদের দুজনকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, তাদের মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি। তবে বিষয়টি কেউ পুলিশকে অবহিত করেনি।

পড়ুন- নলছিটি উপজেলা যুবদলের সদস্যের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

দেখুন- নাটোরে ডিজিটাল মাধ্যমে বাড়ছে অপরাধ, টার্গেট নারীরা?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন