ব্র্যাক, ইউএনউইমেন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে নোয়াখালী জেলার জেন্ডার ইন হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাকশন (জিহা) চ্যাপ্টারের উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দুর্যোগপূর্ব, দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে নারী, পুরুষ, শিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও লিঙ্গ বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর ভিন্ন ভিন্ন চাহিদা চিহ্নিত করে মানবিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্য তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জিহার উদ্বোধন ঘোষণা করেন নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শান্তনু কুমার দাস, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের লেকচারার মো. আব্দুল কাদের, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মরিয়ম সিমি, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাফায়েত হোসেন এবং জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর নোয়াখালীর উপপরিচালক কামরুন নাহার। জিহা ওয়ার্কিং গ্রুপের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন ব্র্যাকের জেন্ডার অ্যান্ড ইনক্লুশন স্পেশালিস্ট মর্জিনা খাতুন। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন পার্টিসিপেটরি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী নুরুল আলম মাসুদ।
এছাড়া ব্র্যাকের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরে বক্তব্য দেন, ব্র্যাক নোয়াখালী জেলা কো-অর্ডিনেটর মো. নুরুজ্জামান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের দুর্যোগপ্রবণ জেলাগুলোর মধ্যে নোয়াখালী অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ জেলা। উপকূলীয় জেলা হওয়ায় এখানে বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস- তিন ধরনের দুর্যোগই দেখা যায়।
তিনি বলেন, নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও বয়োবৃদ্ধ মানুষ দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্যোগের সময় তাদের উদ্ধার ও সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ প্রয়োজন। জিহা এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও জানান, জিহা ত্রৈমাসিক সভার মাধ্যমে কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
পড়ুন- খুলনায় এনসিপি নেতা গুলিবিদ্ধ মেহেরপুর সীমান্তে বিজিবির নজরদারি ও টহল জোরদার


