বিজ্ঞাপন

পঞ্চগড়ে সহকর্মীদের অফিসে ঢুকতে বাধা, খাতা নিয়ে দৌড়ে পালালেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা

পঞ্চগড়ে সহকর্মীদের অফিসে ঢুকতে বাধা, শিক্ষার্থীদের সাথে তর্কে জড়িয়ে দৌড়ে পালালেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা।
জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপপরিচালক ও বোদা উপজেলার মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান আবারও বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে তিনি নিজ কার্যালয়ে সহকর্মীদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বিজ্ঞাপন

জানা যায়, আগের দিন তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও অসদাচরণের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে এদিন সকালে অফিসে এসে তিনি অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অফিসে আসা কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তিনি কার্যালয়ে ঢুকতে বাধা দেন এবং উত্তেজিত হয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এতে পুরো কার্যালয়জুড়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এ সময় বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে আসা নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গেও ওই কর্মকর্তার তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। হঠাৎ এমন পরিস্থিতিতে উপস্থিত প্রশিক্ষণার্থীরা বিব্রত ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলে একপর্যায়ে এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান দ্রুত কার্যালয় ত্যাগ করে দৌড়ে সেখান থেকে চলে যান। এতে ঘটনাস্থলে উপস্থিতদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন একজন সরকারি কর্মকর্তা কীভাবে নিজ কার্যালয়ে সহকর্মীদের প্রবেশে বাধা দেন এবং প্রশিক্ষণ নিতে আসা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন?

ঘটনার বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

পড়ুন- জনগণকে দেয়া সরকারের প্রতিশ্রুতি বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হবে না: প্রধানমন্ত্রী

দেখুন- শরীয়তপুরে অপরাধ দমনে এআই প্রযুক্তির সিসি ক্যামেরা স্থাপন |

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন