পঞ্চগড়ে প্রাইমারী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর কম্পিউটার সায়েন্স এর প্রশিক্ষক স্বপন কুমার দেব শর্মার বিরুদ্ধে কাজ ফাঁকি দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানো এবং মুল বেতনের চেয়ে আট হাজার টাকা অতিরিক্ত নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রাইভেট পড়ানো বন্ধসহ তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী শিক্ষক ও সচেতন মহলের।যদিও কর্তৃপক্ষ বলছে কাজ ফাঁকি দেওয়ার কোন সুযোগ নেই।বেতন বেশি নিলে অবশ্যই ফেরত দিতে হবে।অতিরিক্ত অর্থ আত্মসাতের কোন সুযোগও নেই বলেন,প্রাইমারী টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সুপারিন্টেনডেন্ট যুথিকা রানী দাস।
তথ্যমতে,স্বপন কুমার দেব শর্মা তৃতীয় প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৩) প্রকল্পের আওতায় ২০ মার্চ ২০১৩ সালে কম্পিউটার সায়েন্স এর প্রশিক্ষক পদে যোগদান করেন।পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ১ জুলাই চাকুরি রাজস্ব খাতে যায়।মুল বেতন হয় ২২ হাজার টাকা।এই হিসেবে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তার বেতন হবে ৩০ হাজার ৯৯০ টাকা।কিন্তু রাজস্ব খাতে চাকুরি পদায়নের পর, তিনি কৌশলে ২০১৩ সালের নিয়োগ দেখিয়ে বর্তমানে বেতন উত্তোলন করছেন,৩৯ হাজার ৫৭০ টাকা।আবার অফিস ফাঁকি দিয়ে তিনি শহরের ইসলামবাগ এলাকায় দুপুর একটা থেকে পাঁচটার মধ্যে আইসিটি বিষয়ে দুইটি প্রাইভেটের ব্যাচ পড়ান।১৯৭৯ সালের সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালার ১৭ (১) নম্বর ধারায় বলা আছে, এই আইনের অন্য বিধান অনুসারে, কোনও সরকারি কর্মচারী সরকারের পূর্ব অনুমোদন ছাড়া কোনও ব্যবসায় জড়াতে পারবেন না। অথবা দায়িত্বের বাইরে অন্য কোনও কাজ কিংবা চাকরি নিতে পারবেন না।
অভিযুক্ত প্রশিক্ষক স্বপন কুমার দেব শর্মা নিজের ভুল স্বীকার করে, প্রাইভেট আর পড়াবেন না অঙ্গীকার করে বলেন,অতিরিক্ত বেতনটা ফেরত দিব।
পড়ুন: নোয়াখালীতে করোনায় বৃদ্ধের মৃত্যু
দেখুন: তেলি রব জলদ স্যুদের অ ত্যাচারে অতিষ্ঠ চর হরিনীর বাসিন্দারা |
ইম/


